৩০/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৩৩৫ - রজমের অনুরূপ বর্ণনা
ইয়াহুদী জিম্মী ব্যভিচারীকে রজম করা
রজমের অনুরূপ বর্ণনা ও শব্দগত পার্থক্য
সহীহ মুসলিম : ৪৩৩৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৩৩৫
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ. غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَامْرَأَةً.
ইবনু জুরায়জ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি “এবং একজন মহিলা” এ শব্দটি উল্লেখ করেন।
ই. ফা. ৪২৯৪, ই. সে. ৪২৯৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৩৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার অনুরূপ ঘটনা এসেছে। পার্থক্য হলো, এখানে রাবী বিশেষভাবে “একজন মহিলা” কথাটি উল্লেখ করেছেন। মূল বক্তব্য একই থাকে—ব্যভিচারের ঘটনায় নবী صلى الله عليه وسلم রজমের শাস্তি দিয়েছেন। হাদিসশাস্ত্রে এমন শব্দগত পার্থক্য দেখা যায়, যেখানে একই ঘটনার এক বর্ণনায় কিছু শব্দ সংক্ষিপ্ত থাকে, আর অন্য বর্ণনায় একটি শব্দ বাড়তি স্পষ্টতা দেয়। এই হাদিসে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সেই সীমা বজায় রাখা জরুরি। এখানে অতিরিক্ত ঘটনা বানানোর সুযোগ নেই। মূল শিক্ষা হলো, ব্যভিচারের হদ্দ ও রজমের বর্ণনা একাধিক সূত্রে এসেছে এবং রাবীদের শব্দ নির্বাচন কখনো সামান্য ভিন্ন হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই ঘটনার বর্ণনায় শব্দের সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।
- ব্যাখ্যায় বর্ণিত তথ্যের বাইরে যাওয়া উচিত নয়।
- রজমের বিষয়টি এখানে আগের হাদিসের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- হাদিস বোঝার সময় মূল অর্থ ও বর্ণনার সীমা দুটিই দেখা দরকার।
