৩৪/৩. অধ্যায়ঃ

নেতৃত্ব, প্রার্থনা ও ক্ষমতার লোভ নিষিদ্ধ

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৬১২

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ حَاتِمٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا قُرَّةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ هِلاَلٍ، حَدَّثَنِي أَبُو بُرْدَةَ، قَالَ قَالَ أَبُو مُوسَى أَقْبَلْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَعِي رَجُلاَنِ مِنَ الأَشْعَرِيِّينَ أَحَدُهُمَا عَنْ يَمِينِي وَالآخَرُ عَنْ يَسَارِي فَكِلاَهُمَا سَأَلَ الْعَمَلَ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَسْتَاكُ فَقَالَ ‏"‏ مَا تَقُولُ يَا أَبَا مُوسَى أَوْ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أَطْلَعَانِي عَلَى مَا فِي أَنْفُسِهِمَا وَمَا شَعَرْتُ أَنَّهُمَا يَطْلُبَانِ الْعَمَلَ ‏.‏ قَالَ وَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى سِوَاكِهِ تَحْتَ شَفَتِهِ وَقَدْ قَلَصَتْ فَقَالَ ‏"‏ لَنْ أَوْ لاَ نَسْتَعْمِلُ عَلَى عَمَلِنَا مَنْ أَرَادَهُ وَلَكِنِ اذْهَبْ أَنْتَ يَا أَبَا مُوسَى أَوْ يَا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسِ ‏"‏ ‏.‏ فَبَعَثَهُ عَلَى الْيَمَنِ ثُمَّ أَتْبَعَهُ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ فَلَمَّا قَدِمَ عَلَيْهِ قَالَ انْزِلْ وَأَلْقَى لَهُ وِسَادَةً وَإِذَا رَجُلٌ عِنْدَهُ مُوثَقٌ قَالَ مَا هَذَا قَالَ هَذَا كَانَ يَهُودِيًّا فَأَسْلَمَ ثُمَّ رَاجَعَ دِينَهُ دِينَ السَّوْءِ فَتَهَوَّدَ قَالَ لاَ أَجْلِسُ حَتَّى يُقْتَلَ قَضَاءُ اللَّهِ وَرَسُولِهِ فَقَالَ اجْلِسْ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ لاَ أَجْلِسُ حَتَّى يُقْتَلَ قَضَاءُ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ‏.‏ فَأَمَرَ بِهِ فَقُتِلَ ثُمَّ تَذَاكَرَا الْقِيَامَ مِنَ اللَّيْلِ فَقَالَ أَحَدُهُمَا مُعَاذٌ أَمَّا أَنَا فَأَنَامُ وَأَقُومُ وَأَرْجُو فِي نَوْمَتِي مَا أَرْجُو فِي قَوْمَتِي ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

একদা আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন আমার সাথে আশআরী বংশের দুইজন লোক ছিল। তাদের একজন ছিল আমার ডানে, অপরজন আমার বামে। তারা দুইজনই (পদে) নিয়োগ প্রার্থনা করলো। নবী (ﷺ) তখন মিসওয়াক করছিলেন। তখন তিনি (আমাকে লক্ষ্য করে) বললেন, “হে আবু মূসা অথবা হে আবদুল্লাহ! তুমি কী বল?”তিনি বলেন, আমি বললাম, “যে পবিত্র সত্তা আপনাকে নবী করে পাঠিয়েছেন, তাঁর কসম! তাদের অন্তরে যে কী রয়েছে সে সম্পর্কে তারা আমাকে মোটেও জানায়নি, আর আমি মোটেও টের পাইনি যে, তারা আপনার কাছে (পদে) নিয়োগ প্রার্থনা করবে।” রাবী বলেন, “আমি যেন (স্পষ্টই) তাঁর ওষ্ঠ মুবারকের নিচে মিসওয়াক দেখতে পাচ্ছি।” তখন তিনি বললেন, “আমরা আমাদের কোন কাজে কখনো এমন লোককে নিয়োগ প্রদান করি না- যে তার জন্য লালায়িত। বরং তুমি যাও। হে আবু মূসা!” অথবা তিনি বললেন, “হে আবদুল্লাহ!”অতঃপর তিনি তাঁকে ইয়ামানের গভর্নর করে পাঠালেন। এরপর তিনি মুআয ইবন জাবালকে তাঁর সাহায্যার্থে পাঠালেন। তিনি (মুআয) যখন তাঁর (আবু মুসার) নিকট গিয়ে পৌঁছলেন, তখন তিনি বললেনঃ “অবতরণ করুন” এবং সাথে সাথে তিনি একটি আসন পেতে দিলেন। তখন তাঁর নিকট হাত পা বাঁধা অবস্থায় একটি লোক ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন : “এ লোকটি কে?” উত্তরে তিনি বললেন, “লোকটি প্রথমে ইহুদি ছিল, তারপর সে ইসলাম গ্রহণ করে। এরপর সে আবার তার বাতিল ধর্মে ফিরে যায় এবং ইহুদি হয়ে যায়।”মুআয (রাঃ) বললেন, “যতক্ষণ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-এর বিধান অনুসারে তাকে হত্যা করা না হবে, ততক্ষণ আমি বসবো না।” এরূপ তারা তিনবার কথোপকথন করলেন। এরপর তিনি তাকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো।তারপর তারা রাত্রি জাগরণ (তাহাজ্জুদ) সম্পর্কে পরস্পরের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করলেন। তাঁদের মধ্যে মুআয (রাঃ) বললেন- “আমার অবস্থা হচ্ছে এই যে, আমি (রাত্রির কিয়দংশে) নিদ্রাও যাই আবার (কিয়দংশে) ইবাদতে জাগরণও করি এবং আমার নিদ্রায়ও ও সেইরূপ সওয়াবই প্রত্যাশা করি যেরূপ সওয়াব প্রত্যাশা করি আমার জাগরণ ও ইবাদতে।”

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৫৬৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৪৫৭০

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন