৩৪/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৬২৯ - গনীমতের মাল আত্মসাতের একই সতর্কতা
গনীমাতের মাল আত্মসাৎ করা কঠিন হারাম
গনীমতের মাল আত্মসাৎ বিষয়ে একই সতর্ক বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৪৬২৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৬২৯
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ أَبِي حَيَّانَ، وَعُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، بِمِثْلِ حَدِيثِ إِسْمَاعِيلَ عَنْ أَبِي حَيَّانَ، .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইসমা’ঈল (রহঃ)-এর সূত্রে আবূ হাইয়্যান (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন।
ই.ফা. ৪৫৮৩, ই.সে. ৪৫৮৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৬২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হাইয়ান (রহঃ)-এর সূত্রে আগের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। মূল শিক্ষা হলো গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা খুব গুরুতর অপরাধ। আগের বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কোনো সম্পদ গ্রহণ করবে, কেয়ামতের দিন সেটি তার ঘাড়ে বোঝা হয়ে প্রকাশ পাবে। এই অনুরূপ বর্ণনা একই কথাকে আরও শক্তভাবে স্থির করে। কারণ একই বিষয় একাধিক সূত্রে বর্ণিত হলে পাঠক বুঝতে পারে, বিষয়টি সাহাবীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণভাবে পৌঁছেছে। এখানে আমানত, গলুল, কেয়ামতের হিসাব এবং দায়িত্বশীল সম্পদ ব্যবহারের শিক্ষা রয়েছে। তাই হাদিসটি গনীমতের মাল, সরকারি সম্পদ বা কারও আমানত নিজের স্বার্থে নেওয়া থেকে সতর্ক করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা আমানতের খিয়ানত।
- একই সতর্কতা বারবার আসা বিষয়টির গুরুত্ব বোঝায়।
- অন্যের বা সমষ্টির সম্পদ নিজের করে নেওয়া কেয়ামতের হিসাবের কারণ হবে।
- মুমিনের উচিত অল্প-বেশি সব সম্পদে সতর্ক থাকা।
