৩৪/৪৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৮১৮ - রিয়ার সতর্কতার আরেক বর্ণনা
লোক দেখানো এবং খ্যাতির উদ্দেশে যে যুদ্ধ করে সে জাহান্নামের যোগ্য হয়
রিয়া ও নিয়তের সতর্কতার একই মর্ম
সহীহ মুসলিম : ৪৮১৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৮১৮
وَحَدَّثَنَاهُ عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ، أَخْبَرَنَا الْحَجَّاجُ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ تَفَرَّجَ النَّاسُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَقَالَ لَهُ نَاتِلُ الشَّامِ وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ بِمِثْلِ حَدِيثِ خَالِدِ بْنِ الْحَارِثِ.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর বর্ণনায় ‘তাফাররাকা’-এর স্থলে ‘তাফাররাজা’ এবং ‘নাতিল আহলিশ শাম’-এর স্থলে ‘নাতিলুশ শাম’ বলে উল্লেখ করেছেন। অবশিষ্ট হাদীস খালিদ ইবনু হারিস (রহঃ)-এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ৪৭৭১, ই.সে. ৪৭৭২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৮১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের হাদিসের একই মর্মের আরেক সনদ। এখানে সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) থেকে হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে। ভাষার সামান্য পার্থক্য উল্লেখ করা হয়েছে—এক জায়গায় তাফাররাকা এর স্থলে তাফাররাজা, এবং নাতিল আহলিশ শাম এর স্থলে নাতিলুশ শাম এসেছে। তারপর বলা হয়েছে, অবশিষ্ট হাদিস খালিদ ইবন হারিস (রহঃ)-এর বর্ণনার অনুরূপ। তাই এর মূল শিক্ষা আগের বর্ণনার মতোই: রিয়া থেকে বাঁচা, নিয়ত শুদ্ধ রাখা, এবং বড় আমল করলেও আল্লাহর সন্তুষ্টিকে লক্ষ্য করা। এখানে নতুন আলাদা ঘটনা যোগ করা হয়নি; বরং একই সতর্কতাকে অন্য সনদে সংরক্ষণ করা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যার সময় মূল বক্তব্যের বাইরে বাড়তি কিছু বলা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই হাদিস ভিন্ন সনদে সংরক্ষিত হতে পারে।
- ভাষার সামান্য পার্থক্য থাকলেও মূল শিক্ষা একই থাকতে পারে।
- রিয়া থেকে বাঁচা এবং নিয়ত ঠিক রাখা এই বর্ণনার মূল সতর্কতা।
- হাদিস বোঝার সময় মূল বর্ণনার সীমা মানা জরুরি।
