৩৫/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৯৪৩ - খরগোশ বর্ণনার শব্দ
খরগোশ খাওয়ার বৈধতা
খরগোশের গোশত বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য
সহীহ মুসলিম : ৪৯৪৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪৯৪৩
وَحَدَّثَنِيهِ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ح وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ - كِلاَهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَفِي حَدِيثِ يَحْيَى بِوَرِكِهَا أَوْ فَخِذَيْهَا .
শু‘বাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ সানাদে হাদীসটি বর্ণিত। তবে ইয়াহিয়া (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, এর পিছনের অংশ কিংবা উভয় রান।
ই.ফা. ৪৮৯১, ই.সে. ৪৮৯৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪৯৪৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের খরগোশের ঘটনার আরেকটি বর্ণনা। একই সানাদে হাদিসটি এসেছে। তবে ইয়াহিয়া (রহঃ)-এর বর্ণনায় শব্দ এসেছে, খরগোশের পেছনের অংশ কিংবা দুই রান পাঠানো হয়েছিল। মূল ঘটনা আগের মতোই: খরগোশ ধরা হয়, যবেহ করা হয়, তারপর তার অংশ রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে পাঠানো হয় এবং তিনি তা গ্রহণ করেন। এখানে হাদিসের মূল শিক্ষা খরগোশের গোশত নিয়ে, তবে একই সঙ্গে বর্ণনার শব্দগত পার্থক্যও সংরক্ষিত হয়েছে। এতে বোঝা যায়, মুহাদ্দিসরা ছোট শব্দের পার্থক্যও গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেছেন। খরগোশ খাওয়ার হাদিস খুঁজলে ৪৯৪২ ও ৪৯৪৩—দুই বর্ণনাই একসঙ্গে প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা আগের খরগোশের ঘটনার সমর্থক।
- পেছনের অংশ বা দুই রান—শব্দের পার্থক্য সতর্কভাবে এসেছে।
- খরগোশের গোশত নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে পাঠানো হয়েছিল।
- হাদিসের শব্দ সংরক্ষণে বর্ণনাকারীদের সতর্কতা দেখা যায়।
