৩৭/৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৪৬ - আলাদাভাবে নাবীয বানানোর নির্দেশ
শুকনো খেজুর আর কিসমিস একত্র করে নাবীয [১] প্রস্তুত করা মাক্রুহ
নাবীয বানাতে আলাদা ফল ব্যবহারের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ৫০৪৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৪৬
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ الْعَبْدِيِّ، عَنْ أَبِي، الْمُتَوَكِّلِ النَّاجِيِّ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ شَرِبَ النَّبِيذَ مِنْكُمْ فَلْيَشْرَبْهُ زَبِيبًا فَرْدًا أَوْ تَمْرًا فَرْدًا أَوْ بُسْرًا فَرْدًا» .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নাবীয (খেজুর বা আঙ্গুর ভেজানো পানি) পান করতে ইচ্ছা পোষণ করে, সে যেন কিসমিস বা শুকনো খেজুর অথবা কাঁচা খেজুর দ্বারা আলাদাভাবে নাবীয তৈরি করে তা পান করে।
ই.ফা. ৪৯৮৮,ই.সে. ৪৯৯৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমাদের কেউ নাবীয পান করতে চাইলে সে যেন কিশমিশ আলাদাভাবে, অথবা শুকনা খেজুর আলাদাভাবে, অথবা কাঁচা খেজুর আলাদাভাবে নাবীয তৈরি করে পান করে। এই বর্ণনা আগের নিষেধগুলোর সঙ্গে সুন্দরভাবে মিলিয়ে বোঝা যায়। আগের হাদিসগুলোতে নির্দিষ্ট কিছু ফল মিশিয়ে নাবীয বানাতে বারণ এসেছে। আর এখানে বলা হয়েছে, একেকটি ফল আলাদা রেখে নাবীয বানানো। তাই নাবীয বিধানের মূল শিক্ষা হলো মিশ্রণ থেকে সতর্ক থাকা এবং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর দেখানো সীমা মানা। এই হাদিস মানুষকে সহজ পথ দেখায়—পান করতে চাইলে একক উপাদান ব্যবহার করো, মিশিয়ে এমন অবস্থা তৈরি করো না যা নেশার দিকে যেতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নাবীয বানাতে কিশমিশ, শুকনা খেজুর বা কাঁচা খেজুর আলাদাভাবে ব্যবহার করতে বলা হয়েছে।
- মিশ্রিত নাবীযের বদলে একক উপাদান ব্যবহার করা নিরাপদ নির্দেশ।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) পানীয় তৈরির ক্ষেত্রেও সহজ সীমা দেখিয়েছেন।
- নেশার সম্ভাবনা কমাতে প্রস্তুত প্রণালিতে সতর্ক থাকা দরকার।
