৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৮৭ - নাবীয তৈরির পাত্রে সতর্কতা
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
নাবীয তৈরির পাত্রে নবীজির সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৫০৮৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৮৭
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ نَهَى عَنِ الْجَرِّ وَالدُّبَّاءِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাড়ি (কলস) ও দুব্বা (-তে নাবীয বানানো) হতে বারণ করেছেন।
ই.ফা. ৫০২৪, ই.সে. ৫০৩৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হাঁড়ি বা কলস এবং দুব্বা পাত্রে নাবীয বানানো থেকে বারণ করেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো নাবীয তৈরির পাত্রে সতর্কতা। নাবীয সাধারণত খেজুর বা কিসমিস ভিজিয়ে বানানো পানীয়। হাদিসের ভাষায় বিশেষ কিছু পাত্রের কথা এসেছে, যেগুলোতে নাবীয বানানো নিষেধ করা হয়েছে। তাই এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, পানীয় তৈরি ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) উম্মতকে সাবধান করেছেন। হাদিসটি অতিরিক্ত ব্যাখ্যা না করে সরাসরি একটি নির্দেশ সামনে আনে—নিষিদ্ধ পাত্রে নাবীয তৈরি করা যাবে না। তাই যারা নাবীয সম্পর্কিত হাদিস, দুব্বা পাত্র, কলসী ও পানীয়ের বিধান জানতে চান, তাদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নাবীয তৈরির ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মানা জরুরি।
- কলস ও দুব্বা পাত্রে নাবীয বানানো থেকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
- পানীয় তৈরি ও সংরক্ষণেও ইসলামে নিয়ম মানার শিক্ষা আছে।
