৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৯২ - হানতাম পাত্রের পরিচয়
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
হানতাম পাত্র কী? নাবীযের হাদিসে সহজ ব্যাখ্যা
সহীহ মুসলিম : ৫০৯২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৯২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ جَبَلَةَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يُحَدِّثُ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنِ الْحَنْتَمَةِ . فَقُلْتُ مَا الْحَنْتَمَةُ قَالَ الْجَرَّةُ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হানতাম হতে বারণ করেছেন। সে সময় আমি বললাম, হানতাম কি? তিনি বললেন, কলসী।
ই.ফা. ৫০২৯, ই.সে. ৫০৩৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) হানতাম পাত্র থেকে বারণ করেছেন। বর্ণনাকারী যখন জিজ্ঞেস করেন, হানতাম কী? তখন ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, এটি কলসী। এই বর্ণনা খুব ছোট হলেও নাবীয সম্পর্কিত হাদিস বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেক সময় আরবি নামগুলো আমাদের কাছে অচেনা লাগে। এখানে হানতামের অর্থ সরাসরি ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যাতে পাঠক বুঝতে পারে কোন পাত্রের কথা বলা হচ্ছে। হাদিসটি শুধু একটি পাত্রের নাম নয়, বরং নবীজির নিষেধাজ্ঞা বোঝার জন্য ভাষাগত পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেয়। তাই হানতাম পাত্র, কলসী ও নাবীয তৈরির বিধান—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে বুঝতে এই হাদিস সাহায্য করে। এতে দেখা যায়, সাহাবিরা প্রশ্নের উত্তর সহজ ভাষায় দিতেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসের অচেনা শব্দ বুঝতে প্রশ্ন করা ভালো।
- হানতাম বলতে এখানে কলসী বোঝানো হয়েছে।
- নাবীযের বিধান বুঝতে পাত্রের নাম ও অর্থ জানা দরকার।
