৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৯৪ - একই সূত্রে নাবীযের বর্ণনা
মুযাফ্ফাত, দুব্বা, হানতাম ও নাকীর [৫] ইত্যাদিতে নাবীয তৈরি করার নিষেধাজ্ঞা (এবং এ হুকুম রহিত হওয়া আর নেশা সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এগুলো বৈধ) হওয়ার বর্ণনা
একই সনদে নাবীযের পাত্র সম্পর্কিত বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৫০৯৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫০৯৪
وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ .
আবূ দাউদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
শু’বাহ (রহঃ) উল্লেখিত সূত্রে আমাদের কাছে হাদীসটি রিওয়ায়াত করেছেন।
ই.ফা. ৫০৩১, ই.সে. ৫০৪১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫০৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নতুন কোনো দীর্ঘ বক্তব্য নেই; বরং বলা হয়েছে, শু‘বাহ (রহঃ) উল্লেখিত সূত্রে একই হাদিস রিওয়ায়াত করেছেন। তাই এর মূল বিষয় হলো নাবীযের পাত্র সম্পর্কিত আগের বর্ণনার সনদ বা সূত্রের পুনরুল্লেখ। হাদিস সংকলনে এমন সংক্ষিপ্ত বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একই বিষয় ভিন্ন সূত্রে বা একই সূত্রের আরেক ধারায় এসেছে কি না, তা জানা যায়। এখানে নাবীয, নিষিদ্ধ পাত্র, হানতাম, দুব্বা, মুযাফফাত ও নাকীরের আলোচনা আগের হাদিসের সঙ্গে যুক্ত। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, হাদিস শুধু অর্থের দিক থেকে নয়, বর্ণনাকারী সূত্রের দিক থেকেও সংরক্ষিত হয়েছে। তাই নাবীয সম্পর্কিত হাদিস অধ্যয়নে ৫০৯৪ নম্বর বর্ণনাটি আগের বক্তব্যকে সমর্থনকারী সূত্র হিসেবে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিস সংরক্ষণে সনদ বা বর্ণনাসূত্রের গুরুত্ব আছে।
- একই বিষয়ের বর্ণনা একাধিক সূত্রে আসতে পারে।
- নাবীযের পাত্র সম্পর্কিত আগের বর্ণনাকে এই সূত্র সমর্থন করে।
