৩৭/৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১১৪ - নেশা আনলেই তা মদ
নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম
নেশা আনলেই মদ: হারামের সহজ মানদণ্ড
সহীহ মুসলিম : ৫১১৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫১১৪
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ إِسْحَاقَ كِلاَهُمَا عَنْ رَوْحِ بْنِ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যা কিছু নেশাগ্রস্ত করে তা-ই মদ। আর যা নেশা উদ্রেক করে তা-ই নিষিদ্ধ।
ই. ফা. ৫০৪৯, ই. সে. ৫০৫৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মদের ব্যাপারে একটি সহজ ও ব্যাপক নীতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যা কিছু নেশাগ্রস্ত করে তা-ই মদ, আর যা নেশা উদ্রেক করে তা-ই নিষিদ্ধ। এখানে মূল শিক্ষা হলো, মানুষ কোনো পানীয় বা বস্তু নিয়ে নামের তর্কে না গিয়ে তার প্রভাব দেখবে। যদি তা নেশা আনে, জ্ঞানকে ঢেকে দেয় বা স্বাভাবিক সচেতনতা নষ্ট করে, তবে তা হারাম বিধানের অন্তর্ভুক্ত। এই কারণেই নেশাদ্রব্য হারাম বিষয়টি ইসলামে শুধু এক ধরনের পানীয়ে সীমাবদ্ধ নয়। হাদিসটি সাধারণ মুসলিমের জন্যও সহজ: যে বস্তু নেশা দেয়, তা থেকে বাঁচতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নেশা আনা জিনিসকে হাদিসে মদ বলা হয়েছে।
- হারাম বোঝার ক্ষেত্রে পানীয়ের নাম নয়, প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
- মুসলিমের উচিত সন্দেহজনক নেশাদ্রব্য থেকে দূরে থাকা।
