৩৭/৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১১৩ - সব নেশাই মদ ও হারাম

নেশা সৃষ্টিকারী সকল বস্তুই মদ, আর সর্বপ্রকার মদই হারাম

সব নেশাই মদ: তাওবা ছাড়া বঞ্চনার সতর্কতা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫১১৩

حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الْعَتَكِيُّ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ وَمَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا فَمَاتَ وَهُوَ يُدْمِنُهَا لَمْ يَتُبْ لَمْ يَشْرَبْهَا فِي الآخِرَةِ " .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যা কিছু নেশা তৈরি করে তা-ই মদ। আর যা নেশা উদ্রেক করে তাই নিষিদ্ধ। যে লোক দুনিয়াতে মদ পান করবে, আবার সব সময় এ কাজ করে তাওবা না করেই মৃত্যুমুখে পতিত হবে, সে আখিরাতে তা পান করতে পারবে না।

ই. ফা. ৫০৪৮, ই. সে. ৫০৫৮

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১১৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, যা কিছু নেশা তৈরি করে তা-ই মদ, আর যা নেশা তৈরি করে তা-ই হারাম। এতে বোঝা যায়, মদের বিধান শুধু আঙ্গুরের রস বা কোনো নির্দিষ্ট নামের পানীয়ে সীমাবদ্ধ নয়। যে বস্তু মানুষের স্বাভাবিক জ্ঞান ঢেকে দেয় এবং নেশা আনে, সেটি এই নীতির মধ্যে আসে। হাদিসের শেষ অংশে আরও সতর্কতা আছে: যে দুনিয়ায় মদ পান করে, এ কাজ চালিয়ে যায় এবং তাওবা না করেই মারা যায়, সে আখিরাতে তা পান করতে পারবে না। তাই এখানে মদ হারাম এবং তাওবার গুরুত্ব—দুইটি বিষয়ই স্পষ্টভাবে এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নেশা তৈরি করা জিনিসকে হাদিসে মদের অন্তর্ভুক্ত বলা হয়েছে।
  • সব নেশাদ্রব্য থেকে দূরে থাকা দরকার।
  • মদে আসক্তি চালিয়ে যাওয়া এবং তাওবা না করা আখিরাতের ক্ষতির কারণ।
  • তাওবার দরজা গুরুত্বসহকারে বুঝতে হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন