৩৭/৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১১৭ - দুনিয়ায় মদ পানের বঞ্চনা
মদ পানকারী লোক যদি তাওবাহ না করে তবে শাস্তিস্বরূপ আখিরাতে তাকে মদ হতে বিরত রাখা হবে
দুনিয়ায় মদ পান: আখিরাতের বঞ্চনার সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ৫১১৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫১১৭
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا حُرِمَهَا فِي الآخِرَةِ» .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে লোক পৃথিবীতে মদ পান করবে, পরকালে তাকে তা থেকে বঞ্চিত থাকবে।
ই.ফা. ৫০৫২, ই.সে. ৫০৬২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে লোক পৃথিবীতে মদ পান করবে, পরকালে তাকে তা থেকে বঞ্চিত করা হবে। এখানে বক্তব্যটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু খুব গভীর। দুনিয়ার সাময়িক নেশা আখিরাতের ক্ষতির কারণ হতে পারে—এটাই হাদিসের মূল সতর্কতা। এই বর্ণনায় তাওবার বিস্তারিত অংশ নেই; তাই আমরা শুধু এতটুকুই বলি, মদ পান আখিরাতের বঞ্চনার কারণ হিসেবে এসেছে। মুসলিমের জন্য নেশা থেকে দূরে থাকা শুধু দুনিয়ার শৃঙ্খলার বিষয় নয়; এটি আখিরাতের হিসাবের সাথেও যুক্ত। তাই মদ হারাম ও আখিরাতের বঞ্চনা—এই দুই শিক্ষা মনে রেখে জীবন পরিচালনা করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুনিয়ার মদ পান আখিরাতে বঞ্চনার কারণ হিসেবে এসেছে।
- সাময়িক নেশার জন্য আখিরাতের ক্ষতি ডেকে আনা ঠিক নয়।
- মদ থেকে দূরে থাকা মুসলিমের আখিরাত সচেতনতার অংশ।
