৩৭/৯. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১৩২ - রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর পানীয়

যে নাবীয (খেজুর ভেজানো পানি) গাঢ় হয়নি এবং নেশাগ্রস্ত হয়নি, তা পান করা বৈধ

রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর পানীয়ের সরল বর্ণনা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫১৩২

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ، بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لَقَدْ سَقَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ بِقَدَحِي هَذَا الشَّرَابَ كُلَّهُ الْعَسَلَ وَالنَّبِيذَ وَالْمَاءَ وَاللَّبَنَ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি আমার এ পেয়ালাটি দিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে মধু, নাবীয, পানি, দুধ ইত্যাদি সকল প্রকার পানীয় (দ্রব্য) পান করিয়েছি।

ই.ফা. ৫০৬৭, ই.সে. ৫০৭৭

সহীহ মুসলিম হাদিস ৫১৩২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আনাস (রাঃ) তাঁর একটি পেয়ালার কথা বলেছেন, যে পেয়ালা দিয়ে তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে নানা ধরনের পানীয় পান করিয়েছেন। তিনি মধু, নবীজ, পানি ও দুধের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেছেন। এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর পানীয় সম্পর্কে সরল ও ঘরোয়া একটি চিত্র দেখা যায়। এখানে কোনো জটিল আলোচনা নেই; বরং একজন সাহাবীর স্মৃতি আছে, যেখানে তিনি নবীজ, পানি, দুধ ও মধু পরিবেশনের কথা বলছেন। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, পানীয় পরিবেশনও সাহাবীদের কাছে ভালোবাসা ও সেবার একটি অংশ ছিল। একই সঙ্গে এটি শেখায় যে, নবীজ বা দুধের মতো পানীয়ের আলোচনা করতে হলে হাদিসে যতটুকু এসেছে, ততটুকুই বলা নিরাপদ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আনাস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে বিভিন্ন পানীয় পরিবেশন করেছেন।
  • মধু, নবীজ, পানি ও দুধ—সবই এই বর্ণনায় উল্লেখ আছে।
  • সাহাবীদের সেবা ও ভালোবাসা ছোট কাজেও প্রকাশ পেত।
  • হাদিসের সংক্ষিপ্ত কথাকে অতিরিক্ত ব্যাখ্যায় বড় করা উচিত নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন