৪০/২১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬১৪ - চোখ লাগার একই বর্ণনা
চোখলাগা, পার্শ্বঘা, বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া ও দুরাবস্থা হতে (মুক্তির জন্য) ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব
কুদৃষ্টির রুকইয়াহর সমর্থনমূলক বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ৫৬১৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৬১৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا مِسْعَرٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
মিস‘আর (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا মিস’আর (রহঃ) হতে উপরোল্লিখিত সূত্রে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ৫৫৩৩, ই.সে. ৫৫৫৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৬১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার মতো একই সূত্রে হুবহু বক্তব্য এসেছে। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আয়িশা রা.-কে চোখ লাগা থেকে রুকইয়াহ করতে বলতেন। এই ধরনের একই অর্থের বর্ণনা হাদিসের বিষয়টি বুঝতে সহায়তা করে। এখানে নতুন কোনো আলাদা ঘটনা বলা হয়নি; বরং আগের কথাটিই আরেক সূত্রে এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় মূল শিক্ষা একই থাকে—চোখ লাগার ক্ষেত্রে অনুমোদিত রুকইয়াহ করা যায়। হাদিসটি আমাদের সতর্ক করে যে, কুদৃষ্টির বিষয়ে ভয়ের বদলে নবী صلى الله عليه وسلم শেখানো পথে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নিতে হবে। রুকইয়াহকে চিকিৎসার একমাত্র দাবি হিসেবে নয়, দোয়া ও আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার মাধ্যম হিসেবে বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চোখ লাগার জন্য রুকইয়াহর নির্দেশ একই সূত্রে এসেছে।
- একই অর্থের বর্ণনা মূল শিক্ষাকে আরও স্পষ্ট করে।
- কুদৃষ্টির ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নেওয়া উচিত।
- হাদিসের বাইরে বাড়তি দাবি যোগ করা ঠিক নয়।
