৪১/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৬১ - ‘কারম’ হলো মুমিনের অন্তর
عنب আঙ্গুরকে كرم নামকরণ মাকরূহ
‘কারম’ শব্দ ও মুমিনের অন্তরের মর্যাদা
সহীহ মুসলিম : ৫৭৬১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৭৬১
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَقُولُوا كَرْمٌ . فَإِنَّ الْكَرْمَ قَلْبُ الْمُؤْمِنِ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তোমরা (আঙ্গুরকে) ‘আল কার্ম’ বলো না, কারণ ‘কার্ম হলো মু’মিনের অন্তর।
ই.ফা. ৫৬৭৩, ই.সে. ৫৭০৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৬১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমরা ‘কারম’ বলো না; কারণ ‘কারম’ হলো মুমিনের অন্তর। এখানে আঙ্গুরের নামের বদলে ‘কারম’ শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কথাটি আমাদের ভাষার আদব শেখায়। শব্দ শুধু শব্দ নয়; কখনো একটি শব্দের সঙ্গে মর্যাদা, গুণ বা বিশেষ অর্থ জড়িত থাকে। হাদিসে ‘কারম’কে মুমিনের অন্তরের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তাই আঙ্গুরকে এই নামে না ডেকে শব্দ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এই শিক্ষা আমাদের দৈনন্দিন কথায়ও কাজে লাগে। আমরা যেন এমন শব্দ ব্যবহার না করি, যার অর্থ বা মর্যাদা আমরা না বুঝে সাধারণ জিনিসের সঙ্গে লাগিয়ে দিই। মুমিনের মুখের ভাষা হবে বুঝে বলা, সংযত ও সম্মানপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আঙ্গুরকে ‘কারম’ বলা থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
- ‘কারম’ শব্দকে মুমিনের অন্তরের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
- শব্দের অর্থ ও মর্যাদা বুঝে ব্যবহার করা দরকার।
- মুমিনের ভাষায় সম্মান ও সতর্কতা থাকা উচিত।
