৪১/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৬২ - আঙ্গুরকে কারম না বলার শিক্ষা
عنب আঙ্গুরকে كرم নামকরণ মাকরূহ
আঙ্গুরকে ‘আল-কারম’ না বলার হাদিস
সহীহ মুসলিম : ৫৭৬২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৭৬২
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُسَمُّوا الْعِنَبَ الْكَرْمَ فَإِنَّ الْكَرْمَ الرَّجُلُ الْمُسْلِمُ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আঙ্গুরকে الْكَرْمَ (আল-কার্ম) নামে ডেকো না। কারণ “আল-কারম’ হলো মুসলিম ব্যক্তি।
ই.ফা. ৫৬৭৪ ই.সে. ৫৭০৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, আঙ্গুরকে ‘আল-কারম’ নামে ডেকো না; কারণ ‘আল-কারম’ হলো মুসলিম ব্যক্তি। এখানে একটি শব্দের ব্যবহার নিয়ে নববী নির্দেশনা এসেছে। আঙ্গুর একটি ফল, কিন্তু ‘কারম’ শব্দটি মর্যাদা ও সম্মানের অর্থ বহন করে। হাদিসে এই মর্যাদাকে মুসলিম ব্যক্তির সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তাই আঙ্গুর বোঝাতে এই শব্দ ব্যবহার না করতে বলা হয়েছে। এই শিক্ষা আমাদের দেখায়, ইসলামে ভাষার আদব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যা বলি, তা শুধু উচ্চারণ নয়; তার অর্থও আছে। তাই নাম, উপাধি ও বিশেষ শব্দ ব্যবহারে সতর্ক থাকা দরকার। মুমিনের কথা হবে পরিষ্কার, অর্থপূর্ণ এবং সম্মান রক্ষা করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আঙ্গুরকে ‘আল-কারম’ নামে ডাকতে নিষেধ করা হয়েছে।
- হাদিসে ‘কারম’ মুসলিম ব্যক্তির মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- শব্দ ব্যবহারে অর্থের দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
- ভাষার আদব ইসলামী চরিত্রের অংশ।
