৪১/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৬৩ - কারম শব্দের সঠিক মর্যাদা
عنب আঙ্গুরকে كرم নামকরণ মাকরূহ
‘আল-কারম’ শব্দের সঠিক ব্যবহার
সহীহ মুসলিম : ৫৭৬৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৫৭৬৩
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَفْصٍ، حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ الْكَرْمُ . فَإِنَّمَا الْكَرْمُ قَلْبُ الْمُؤْمِنِ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ অবশ্যই তোমাদের কেউ যেন (আঙ্গুরকে) ‘আল-কারম’ না বলে। কারণ ‘আল-কারম’ হলো মুমিনের অন্তর।
ই.ফা. ৫৬৭৫, ই.সে. ৫৭০৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ৫৭৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন ‘আল-কারম’ না বলে; কারণ ‘আল-কারম’ হলো মুমিনের অন্তর। এখানে আঙ্গুর বোঝাতে ব্যবহৃত একটি শব্দকে সংশোধন করা হয়েছে। ইসলামে ভাষা শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, চরিত্র ও বিশ্বাসেরও প্রকাশ। কোনো শব্দের অর্থ যদি মর্যাদা, ভালো গুণ বা সম্মানের সঙ্গে জড়িত হয়, তাহলে সেটি কোথায় ব্যবহার করা হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ। এই হাদিসে মুমিনের অন্তরের মর্যাদা সামনে এসেছে। তাই আঙ্গুরের মতো একটি ফলকে এমন শব্দে ডাকতে নিষেধ করা হয়েছে। শিক্ষা হলো—আমরা কথা বলার সময় শব্দের অর্থ, সম্মান এবং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশনার দিকে খেয়াল রাখব।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ‘আল-কারম’ শব্দ ব্যবহারে সতর্ক হতে বলা হয়েছে।
- মুমিনের অন্তরের মর্যাদা হাদিসে উল্লেখিত হয়েছে।
- শব্দের অর্থ না বুঝে ব্যবহার করা ঠিক নয়।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো ভাষার আদব মানা উচিত।
