৪৫/৪৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৩২৭ - গিফার ও আসলামের মর্যাদা
গিফার ও আসলাম গোত্রের জন্য রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর দু‘আ
গিফার ও আসলাম গোত্রের মর্যাদা
সহীহ মুসলিম : ৬৩২৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৩২৭
وَحَدَّثَنِي حُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ خُثَيْمِ بْنِ عِرَاكٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَسْلَمُ سَالَمَهَا اللَّهُ وَغِفَارُ غَفَرَ اللَّهُ لَهَا أَمَا إِنِّي لَمْ أَقُلْهَا وَلَكِنْ قَالَهَا اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আসলাম গোত্রকে আল্লাহ তা’আলা নিরাপত্তা বিধান করেছেন এবং গিফার গোত্রের লোকেদের আল্লাহ তা’আলা মাফ করে দিয়েছেন। কিন্তু এ কথা আমি বলিনি বরং আল্লাহ তা’আলাই বলেছেন।
ই.ফা. ৬২০৫, ই.সে. ৬২৫১
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৩২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم গিফার ও আসলাম গোত্রের বিশেষ মর্যাদার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, আসলাম গোত্রকে আল্লাহ নিরাপত্তা দিয়েছেন এবং গিফার গোত্রকে আল্লাহ মাফ করে দিয়েছেন। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, নবীজি صلى الله عليه وسلم স্পষ্ট করে জানান যে, এটি তাঁর নিজের পক্ষ থেকে বলা কথা নয়; বরং আল্লাহ তা’আলাই এ কথা বলেছেন। তাই এই বর্ণনায় গিফার গোত্রের ক্ষমা এবং আসলাম গোত্রের নিরাপত্তা একটি বড় সম্মানের বিষয় হিসেবে এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, মানুষের আসল মর্যাদা আল্লাহর কাছে। কোনো গোত্র বা দলকে সম্মান দেওয়ার ক্ষেত্রেও নবীজি صلى الله عليه وسلم নিজের কথা আল্লাহর কথার সঙ্গে মিশিয়ে বলেননি। এতে সত্য বলা, আমানতদারি এবং আল্লাহর বাণীর প্রতি পূর্ণ আনুগত্যের শিক্ষা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহ যাকে সম্মান দেন, তার মর্যাদা মানুষের কথার চেয়ে বড়।
- নবীজি صلى الله عليه وسلم আল্লাহর নামে কোনো কথা নিজের পক্ষ থেকে বলেননি।
- ক্ষমা ও নিরাপত্তা আল্লাহর বড় অনুগ্রহ।
- কোনো গোত্রের মর্যাদা বিচারেও সত্য কথার গুরুত্ব রয়েছে।
