৩/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৫৬ - উলঙ্গতা থেকে সতর্কতা
লজ্জাস্থানের দিকে তাকানো হারাম
উলঙ্গ অবস্থায় দৃষ্টি ও বিছানার আদব
সহীহ মুসলিম : ৬৫৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৫৬
وَحَدَّثَنِيهِ هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، أَخْبَرَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالاَ - مَكَانَ عَوْرَةِ - عُرْيَةِ الرَّجُلِ وَعُرْيَةِ الْمَرْأَةِ .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উক্ত সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়েই عَوْرَةِ এর স্থলে عَوْرَةِ এর উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ- উলঙ্গ অবস্থায় পুরুষ পুরুষের দিকে এবং নারী নারীর দিকে তাকাতে পারবেনা এবং একই বিছানায় ঘুমাবে না।
ই.ফা. ৬৬০, ই.সে. ৬৭৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ৬৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আগের হাদিসের একই সানাদে একটি শব্দের ভিন্নতা এসেছে। এখানে عَوْرَةِ এর জায়গায় عُرْيَةِ উল্লেখ করা হয়েছে, যার অর্থ উলঙ্গ অবস্থা। অর্থাৎ পুরুষ উলঙ্গ অবস্থায় পুরুষের দিকে তাকাবে না, নারী উলঙ্গ অবস্থায় নারীর দিকে তাকাবে না, এবং একই বিছানায় এমন অবস্থায় থাকবে না। এই হাদিসের শিক্ষা সরল: দেহের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে এবং অন্যের ব্যক্তিগত সীমা মানতে হবে। এখানে একই লিঙ্গের মধ্যে শালীনতার কথা বিশেষভাবে এসেছে। তাই ইসলামে লজ্জাশীলতা শুধু জনসমক্ষে নয়, ব্যক্তিগত ও কাছের পরিবেশেও মানার বিষয়। আউরাত, উলঙ্গতা, দৃষ্টি সংযম ও বিছানার আদব সম্পর্কে এই বর্ণনা আগের হাদিসকে আরও পরিষ্কার করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উলঙ্গ অবস্থায় অন্যের দিকে তাকানো থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
- একই লিঙ্গের মধ্যেও শালীনতার সীমা আছে।
- একই বিছানায় উলঙ্গ অবস্থায় থাকা থেকে সতর্ক করা হয়েছে।
- দেহের গোপনীয়তা রক্ষা করা ইসলামী আদবের অংশ।
