৪/২. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৭২৭ - আযান ও ইকামতের নিয়ম

আযানের শব্দগুলো দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দগুলো একবার করে

আযান ও ইকামতের নিয়ম: জোড় ও বিজোড় বাক্য

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭২৭

وَحَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، وَعَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ أُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ، الأَذَانَ وَيُوتِرَ الإِقَامَةَ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

বিলাল (রাঃ)-কে আজান জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাত বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ই. ফা. ৭২৫, ই. সে. ৭৪০

সহীহ মুসলিম হাদিস ৭২৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আযান ও ইকামতের একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম এসেছে। আনাস (রাঃ) বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল—আযান জোড় সংখ্যায় বলতে এবং ইকামত বিজোড় সংখ্যায় বলতে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সালাতের ডাক কোনো সাধারণ ঘোষণা নয়; বরং তা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশিত নিয়ম মেনে আদায় করা হয়। আযানের বাক্যগুলো বারবার বলা হয়, যাতে মানুষ স্পষ্টভাবে সালাতের আহ্বান শুনতে পারে। আর ইকামত তুলনামূলক সংক্ষিপ্ত রাখা হয়, কারণ তখন জামাত শুরু হওয়ার সময় এসে যায়। যারা আযান ও ইকামতের নিয়ম জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি সহজ ও পরিষ্কার দলিল হিসেবে কাজ করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আযান ও ইকামত রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো নিয়ম অনুযায়ী বলা উচিত।
  • আযান সাধারণত জোড় বাক্যে বলা হয়, যাতে ডাকটি স্পষ্টভাবে পৌঁছে যায়।
  • ইকামত সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়, কারণ এটি সালাত শুরু হওয়ার কাছাকাছি সময়ের ঘোষণা।
  • মুয়াজ্জিনের কাজ নিয়ম মেনে করা একটি সম্মানজনক দায়িত্ব।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন