৪/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭২৯ - রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর দুই মুয়াজ্জিন
একই মাসজিদে দু’জন মুওয়ায্যিন রাখা ভাল
রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর দুই মুয়াজ্জিন: বিলাল ও ইবনু উম্মু মাকতূম
সহীহ মুসলিম : ৭২৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭২৯
حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ ﷺ مُؤَذِّنَانِ بِلاَلٌ وَابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ الأَعْمَى.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর দু’জন মুয়াজ্জিন ছিলঃ বিলাল (রাঃ) এবং অন্ধ ‘আবদুল্লাহ ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ)।
ই. ফা. ৭২৭, ই. সে. ৭৪২
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) জানান, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর দুইজন মুয়াজ্জিন ছিলেন—বিলাল (রাঃ) এবং অন্ধ আবদুল্লাহ ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ)। আযান দেওয়া ছিল সালাতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এই বর্ণনায় আরও একটি সুন্দর দিক দেখা যায়: ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর মুয়াজ্জিন ছিলেন। তাই যোগ্যতা, দায়িত্ববোধ ও দ্বীনের সেবার সুযোগ এখানে স্পষ্টভাবে দেখা যায়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, মুয়াজ্জিনের কাজ শুধু কণ্ঠে ডাক দেওয়া নয়; বরং মুসলিম সমাজকে সালাতের দিকে ডাকার একটি সম্মানজনক কাজ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সময়ে আযানের জন্য নির্দিষ্ট মুয়াজ্জিন ছিলেন।
- বিলাল (রাঃ) ও ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) সালাতের ডাকের দায়িত্ব পালন করতেন।
- শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও দ্বীনের কাজে অংশ নেওয়া সম্ভব।
- মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব মুসলিম সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
