৫৪/২৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭৩০২ - বার্ধক্যের আগে কেয়ামতের সতর্কতা
কিয়ামাত সন্নিকটবর্তী
বার্ধক্যের আগে শেষ সময়ের স্মরণ
সহীহ মুসলিম : ৭৩০২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭৩০২
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ مَرَّ غُلاَمٌ لِلْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ وَكَانَ مِنْ أَقْرَانِي فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ " إِنْ يُؤَخَّرْ هَذَا فَلَنْ يُدْرِكَهُ الْهَرَمُ حَتَّى تَقُومَ السَّاعَةُ " .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার সমবয়স্ক মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ্ (রাঃ) –এর এক গোলাম একদিন পথ অতিক্রম করছিল, তখন নবী (ﷺ) বললেনঃ যদি তার হায়াত দীর্ঘায়ু হয় তবে সে বার্ধক্যে পৌঁছার আগেই কিয়ামত সংঘটিত হয়ে যাবে।
ই.ফা. ৭১৪৪, ই.সে. ৭১৯৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭৩০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস রা. বলেন, মুগিরা ইবন শুআবা রা.-এর এক গোলাম পথ দিয়ে যাচ্ছিল, সে আনাস রা.-এর সমবয়সী ছিল। তখন নবী صلى الله عليه وسلم বললেন, যদি তার হায়াত দীর্ঘ হয়, তবে সে বার্ধক্যে পৌঁছার আগেই কেয়ামত সংঘটিত হবে। এই কথাটি মানুষকে দূরের কেয়ামত নয়, নিজের কাছের সময় নিয়ে ভাবতে শেখায়। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, জীবন অল্প; তাই আমল ও প্রস্তুতি পিছিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। এখানে নবী صلى الله عليه وسلم কোনো জটিল ব্যাখ্যা দেননি, বরং চোখের সামনে থাকা একজন তরুণকে উদাহরণ করে সময়ের সীমাবদ্ধতা বুঝিয়েছেন। কেয়ামত স্মরণ মানুষকে তাওবা ও নেক আমলে ডাক দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চোখের সামনে থাকা ঘটনাও বড় শিক্ষা হতে পারে।
- জীবন সীমিত, তাই আমল পিছিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
- কেয়ামত স্মরণ মানুষকে প্রস্তুতির দিকে নেয়।
- নবী صلى الله عليه وسلم সহজ উদাহরণে গভীর কথা বুঝিয়েছেন।
