৪/৮. অধ্যায়ঃ

সহীহ মুসলিম হাদিস ৭৩৯ - মুয়াজ্জিনের সম্মানের বর্ণনা

আযানের ফাযীলাত এবং আযান শুনে শাইতানের পলায়ন

মুয়াজ্জিনের সম্মান: একই অর্থের আরেক বর্ণনা

সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭৩৯

وَحَدَّثَنِيهِ إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ يَحْيَى، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ، قَالَ سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ بِمِثْلِهِ

‘ঈসা ইবনু তালহাহ্‌ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি মু’আবিয়াহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন।

ই. ফা. ৭৩৭, ই. সে. ৭৫১

সহীহ মুসলিম হাদিস ৭৩৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে মুআবিয়া (রাঃ)-এর সূত্রে আগের বর্ণনার মতোই কথা এসেছে। মূল শিক্ষা হলো, কেয়ামতের দিন মুয়াজ্জিনদের গর্দান মানুষের মধ্যে বেশি উঁচু হবে। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু আযান দেওয়ার দায়িত্বের মর্যাদা বোঝাতে যথেষ্ট। মুয়াজ্জিন প্রতিদিন মানুষকে সালাতের দিকে ডাকে। তার মুখে আল্লাহর বড়ত্ব, তাওহীদ ও রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর রিসালাতের সাক্ষ্য উচ্চারিত হয়। এই দায়িত্বকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। একই অর্থের বর্ণনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আযান শুধু সময় জানানোর মাধ্যম নয়; এটি ঈমানের ঘোষণা এবং সালাতের আহ্বান।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুয়াজ্জিনের মর্যাদা নিয়ে একই অর্থের বর্ণনা এসেছে।
  • আযান দেওয়া একটি সম্মানজনক দ্বীনি দায়িত্ব।
  • মুয়াজ্জিন মানুষকে সালাতের দিকে আহ্বান করেন।
  • আযানে আল্লাহর বড়ত্ব ও তাওহীদের ঘোষণা থাকে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন