৫৬/৩. অধ্যায়ঃ
মহান আল্লাহর বাণী : “তোমরা তোমাদের দাসীদেরকে ব্যভিচারে বাধ্য করো না"
সহিহ মুসলিম : ৭৪৪৩
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭৪৪৩
وَحَدَّثَنِي أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ جَارِيَةً، لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ ابْنِ سَلُولَ يُقَالُ لَهَا مُسَيْكَةُ وَأُخْرَى يُقَالُ لَهَا أُمَيْمَةُ فَكَانَ يُكْرِهُهُمَا عَلَى الزِّنَى فَشَكَتَا ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَنْزَلَ اللَّهُ { وَلاَ تُكْرِهُوا فَتَيَاتِكُمْ عَلَى الْبِغَاءِ} إِلَى قَوْلِهِ { غَفُورٌ رَحِيمٌ}
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবন উবাই এর দুইজন বাদী ছিল। একজনের নাম ছিল মুসাইকাহ এবং অপরজনের নাম ছিল উমাইমা। সে দুইজনকে দিয়ে জোরপূর্বক বেশ্যাবৃত্তি করাতো। তাই তারা এ বিষয়ে নবী (ﷺ) এর নিকট অভিযোগ করল। তখন আল্লাহ তা‘আলা নাজিল করলেন : “তোমাদের বাদীরা সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন-লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে জোর-জবরদস্তি করবে না। আর যে তাদেরকে জোরজবরদস্তি করে তবে তাদের (বাদীদের) উপর জবরদস্তির পর আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৭২৭২,ইসলামীক সেন্টারঃ ৭৩২৭
