০/৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১২ - অনুসরণীয় ইমামের কথার সংযম
যা শুনে তা বর্ণনা করা নিষিদ্ধ
অনুসরণীয় ইমাম হতে হলে শোনা সব কথা বলা যায় না
সহীহ মুসলিম : ১২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১২
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مَهْدِيٍّ، يَقُولُ لَا يَكُونُ الرَّجُلُ إِمَامًا يُقْتَدَى بِهِ حَتَّى يُمْسِكَ عَنْ بَعْضِ مَا سَمِعَ.
‘আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ‘আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ)-কে (যিনি হাদীসের একজন বড় ইমাম) বলতে শুনেছেন : কোন ব্যক্তি অনুসরণযোগ্য ইমাম হতে পারবে না, যে পর্যন্ত সে শোনা কথা কতক (মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা) বর্ণনা করা থেকে বিরত না থাকবে।
সহীহ মুসলিম হাদিস ১২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ‘আবদুর রহমান ইবনু মাহদী (রহঃ) বলেন, কোনো ব্যক্তি অনুসরণযোগ্য ইমাম হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে শোনা কিছু কথা বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকে। এখানে মূল শিক্ষা হলো জ্ঞানের সঙ্গে সংযম থাকা। যে ব্যক্তি সব শোনা কথা বলে, তার কথায় ভুল ঢুকে যেতে পারে। আর যাকে মানুষ অনুসরণ করে, তার ভুল কথা অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই হাদিস বর্ণনায় সতর্কতা, যাচাই ছাড়া কথা না বলা এবং প্রয়োজন হলে চুপ থাকা—এসব একজন আলেম, শিক্ষক বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির জন্য খুব জরুরি। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, বেশি বলা নয়; সঠিক বলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অনুসরণীয় ব্যক্তি সব শোনা কথা বলে না।
- জ্ঞানের সঙ্গে সংযম থাকা দরকার।
- ভুল কথা ছড়ালে অন্যরাও প্রভাবিত হতে পারে।
- চুপ থাকা কখনো কখনো নিরাপদ পথ হতে পারে।
