০/২. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩ - হাদিস বলায় সতর্কতার কারণ
রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর উপর মিথ্যারোপ গুরুতর অপরাধ
হাদিস বর্ণনায় সংযম ও রাসূলের নামে মিথ্যা থেকে বাঁচা
সহীহ মুসলিম : ৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩
) وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ إِنَّهُ لَيَمْنَعُنِي أَنْ أُحَدِّثَكُمْ حَدِيثًا كَثِيرًا أَنْ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ «مَنْ تَعَمَّدَ عَلَيَّ كَذِبًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তোমাদের কাছে অধিক সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করা থেকে যা আমাকে বিরত রাখে তা হলো, রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় আমার প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন নিজের বাসস্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়।
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, তিনি বেশি বেশি হাদিস বর্ণনা করা থেকে বিরত থাকতেন। এর কারণ ছিল রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কঠিন সতর্কবাণী: যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় তাঁর প্রতি মিথ্যারোপ করে, সে যেন নিজের বাসস্থান জাহান্নামে নির্ধারণ করে নেয়। এখানে মূল বিষয় হলো হাদিস বর্ণনায় সতর্কতা। সাহাবীগণ রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর কথা প্রচার করতেন, কিন্তু তাঁরা অসাবধানভাবে কথা বলতে ভয় করতেন। কারণ একটি ভুল কথা নবী صلى الله عليه وسلم-এর নামে চলে গেলে তা মানুষের বিশ্বাস ও আমলে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সহিহ হাদিস যাচাই, সঠিকভাবে উদ্ধৃতি দেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় বেশি কথা না বলা—এই হাদিসের বড় শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিস বর্ণনায় সংযম রাখা উত্তম।
- ইচ্ছাকৃতভাবে রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর নামে মিথ্যা বলা ভয়াবহ অপরাধ।
- সাহাবীগণ হাদিস বলার ক্ষেত্রে খুব সতর্ক ছিলেন।
- যাচাই ছাড়া বেশি কথা বলা থেকে বাঁচা দরকার।
