০/৫. অধ্যায়ঃ

হাদীসের সানাদ বর্ণনা করা দীনের অন্তর্ভুক্ত, নির্ভরযোগ্য বর্ণনা ছাড়া রিওয়ায়াত গ্রহণ করা উচিত নয়; বর্ণনাকারীদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরা শুধু জায়িয নয়, বরং ওয়াজিব; ওটা গীবাত নয়- যা শারী‘আতের দৃষ্টিতে হারাম; ক্ষতিকারক জিনিসগুলো দূর করে শারী‘আতের বিধানসমূহ নিখুঁত ও ত্রুটিমুক্ত করা অতীব প্রয়োজন

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৯৪

حَدَّثَنِي بِشْرُ بْنُ الْحَكَمِ، قَالَ سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ الْقَطَّانَ، ضَعَّفَ حَكِيمَ بْنَ جُبَيْرٍ وَعَبْدَالْأَعْلَى وَضَعَّفَ يَحْيَى مُوسَى بْنَ دِينَارٍ قَالَ حَدِيثُهُ رِيحٌ . وَضَعَّفَ مُوسَى بْنَ دِهْقَانَ وَعِيسَى بْنَ أَبِي عِيسَىالْمَدَنِيَّ . قَالَ وَسَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ عِيسَى، يَقُولُ قَالَ لِي ابْنُ الْمُبَارَكِ إِذَا قَدِمْتَ عَلَى جَرِيرٍ فَاكْتُبْ عِلْمَهُ كُلَّهُإِلَّا حَدِيثَ ثَلَاثَةٍ لَا تَكْتُبْ حَدِيثَ عُبَيْدَةَ بْنِ مُعَتِّبٍ وَالسَّرِيِّ بْنِ إِسْمَاعِيلَ وَمُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ.قَالَ مُسْلِمٌ وَأَشْبَاهُ مَا ذَكَرْنَا مِنْ كَلَامِ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي مُتَّهَمِي رُوَاةِ الْحَدِيثِ وَإِخْبَارِهِمْ عَنْ مَعَايِبِهِمْ كَثِيرٌيَطُولُ الْكِتَابُ بِذِكْرِهِ عَلَى اسْتِقْصَائِهِ وَفِيمَا ذَكَرْنَا كِفَايَةٌ لِمَنْ تَفَهَّمَ وَعَقَلَ مَذْهَبَ الْقَوْمِ فِيمَا قَالُوا مِنْ ذَلِكَوَبَيَّنُوا.وَإِنَّمَا أَلْزَمُوا أَنْفُسَهُمُ الْكَشْفَ عَن مَعَايِبِ رُوَاةِ الْحَدِيثِ وَنَاقِلِي الْأَخْبَارِ وَأَفْتَوْا بِذَلِكَ حِينَ سُئِلُوا لِمَا فِيهِمِنْ عَظِيمِ الْخَطَرِ إِذِ الْأَخْبَارُ فِي أَمْرِ الدِّينِ إِنَّمَا تَأْتِي بِتَحْلِيلٍ أَوْ تَحْرِيمٍ أَوْ أَمْرٍ أَوْ نَهْيٍ أَوْ تَرْغِيبٍ أَوْ تَرْهِيبٍفَإِذَا كَانَ الرَّاوِي لَهَا لَيْسَ بِمَعْدِنٍ لِلصِّدْقِ وَالْأَمَانَةِ ثُمَّ أَقْدَمَ عَلَى الرِّوَايَةِ عَنْهُ مَنْ قَدْ عَرَفَهُ وَلَمْ يُبَيِّنْ مَا فِيهِلِغَيْرِهِ مِمَّنْ جَهِلَ مَعْرِفَتَهُ كَانَ آثِمًا بِفِعْلِهِ ذَلِكَ غَاشًّا لِعَوَامِّ الْمُسْلِمِينَ إِذْ لَا يُؤْمَنُ عَلَى بَعْضِ مَنْ سَمِعَ تِلْكَالْأَخْبَارَ أَنْ يَسْتَعْمِلَهَا أَوْ يَسْتَعْمِلَ بَعْضَهَا وَلَعَلَّهَا أَوْ أَكْثَرَهَا أَكَاذِيبُ لَا أَصْلَ لَهَا مَعَ أَنَّ الْأَخْبَارَ الصِّحَاحَ مِنْرِوَايَةِ الثِّقَاتِ وَأَهْلِ الْقَنَاعَةِ أَكْثَرُ مِنْ أَنْ يُضْطَرَّ إِلَى نَقْلِ مَنْ لَيْسَ بِثِقَةٍ وَلَا مَقْنَعٍ.وَلَا أَحْسِبُ كَثِيرًا مِمَّنْ يُعَرِّجُ مِنَ النَّاسِ عَلَى مَا وَصَفْنَا مِنْ هَذِهِ الْأَحَادِيثِ الضِّعَافِ وَالْأَسَانِيدِالْمَجْهُولَةِ وَيَعْتَدُّ بِرِوَايَتِهَا بَعْدَ مَعْرِفَتِهِ بِمَا فِيهَا مِنَ التَّوَهُّنِ وَالضَّعْفِ إِلَّا أَنَّ الَّذِي يَحْمِلُهُ عَلَى رِوَايَتِهَاوَالِاعْتِدَادِ بِهَا إِرَادَةُ التَّكَثُّرِ بِذَلِكَ عِنْدَ الْعَوَامِّ وَلِأَنْ يُقَالَ مَا أَكْثَرَ مَا جَمَعَ فُلَانٌ مِنَالْحَدِيثِ وَأَلَّفَ مِنَ الْعَدَدِ .وَمَنْ ذَهَبَ فِي الْعِلْمِ هَذَا الْمَذْهَبَ وَسَلَكَ هَذَا الطَّرِيقَ فَلَا نَصِيبَ لَهُ فِيهِ وَكَانَ بِأَنْ يُسَمَّى جَاهِلًا أَوْلَىمِنْ أَنْ يُنْسَبَ إِلَى عِلْمٍ .وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُ مُنْتَحِلِي الْحَدِيثِ مِنْ أَهْلِ عَصْرِنَا فِي تَصْحِيحِ الْأَسَانِيدِ وَتَسْقِيمِهَا بِقَوْلٍ لَوْ ضَرَبْنَا عَنْحِكَايَتِهِ وَذِكْرِ فَسَادِهِ صَفْحًا لَكَانَ رَأْيًا مَتِينًا وَمَذْهَبًا صَحِيحًا.إِذِ الْإِعْرَاضُ عَنِ الْقَوْلِ الْمُطَّرَحِ أَحْرَى لِإِمَاتَتِهِ وَإِخْمَالِ ذِكْرِ قَائِلِهِ وَأَجْدَرُ أَنْ لَا يَكُونَ ذَلِكَ تَنْبِيهًالِلْجُهَّالِ عَلَيْهِ غَيْرَ أَنَّا لَمَّا تَخَوَّفْنَا مِنْ شُرُورِ الْعَوَاقِبِ وَاغْتِرَارِ الْجَهَلَةِ بِمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ وَإِسْرَاعِهِمْ إِلَىاعْتِقَادِ خَطَإِ الْمُخْطِئِينَ وَالْأَقْوَالِ السَّاقِطَةِ عِنْدَ الْعُلَمَاءِ رَأَيْنَا الْكَشْفَ عَنْ فَسَادِ قَوْلِهِ وَرَدَّ مَقَالَتِهِ بِقَدْرِ مَا يَلِيقُبِهَا مِنَ الرَّدِّ أَجْدَى عَلَى الْأَنَامِ وَأَحْمَدَ لِلْعَاقِبَةِ إِنْ شَاءَ اللهُ.وَزَعَمَ الْقَائِلُ الَّذِي افْتَتَحْنَا الْكَلَامَ عَلَى الْحِكَايَةِ عَنْ قَوْلِهِ وَالْإِخْبَارِ عَنْ سُوءِ رَوِيَّتِهِ أَنَّ كُلَّ إِسْنَادٍلِحَدِيثٍ فِيهِ فُلَانٌ عَنْ فُلَانٍ وَقَدْ أَحَاطَ الْعِلْمُ بِأَنَّهُمَا قَدْ كَانَا فِي عَصْرٍ وَاحِدٍ وَجَائِزٌ أَنْ يَكُونَ الْحَدِيثُ الَّذِيرَوَى الرَّاوِي عَمَّنْ رَوَى عَنْهُ قَدْ سَمِعَهُ مِنْهُ وَشَافَهَهُ بِهِ غَيْرَ أَنَّهُ لَا نَعْلَمُ لَهُ مِنْهُ سَمَاعًا وَلَمْ نَجِدْ فِي شَيْءٍمِنَ الرِّوَايَاتِ أَنَّهُمَا الْتَقَيَا قَطُّ أَوْ تَشَافَهَا بِحَدِيثٍ أَنَّ الْحُجَّةَ لَا تَقُومُ عِنْدَهُ بِكُلِّ خَبَرٍ جَاءَ هَذَا الْمَجِيءَ حَتَّىيَكُونَ عِنْدَهُ الْعِلْمُ بِأَنَّهُمَا قَدِ اجْتَمَعَا مِنْ دَهْرِهِمَا مَرَّةً فَصَاعِدًا أَوْ تَشَافَهَا بِالْحَدِيثِ بَيْنَهُمَا أَوْ يَرِدَ خَبَرٌ فِيهِ بَيَانُاجْتِمَاعِهِمَا وَتَلَاقِيهِمَا مَرَّةً مِنْ دَهْرِهِمَا فَمَا فَوْقَهَا . فَإِنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ عِلْمُ ذَلِكَ وَلَمْ تَأْتِ رِوَايَةٌ صَحِيحَةٌ تُخْبِرُأَنَّ هَذَا الرَّاوِيَ عَنْ صَاحِبِهِ قَدْ لَقِيَهُ مَرَّةً وَسَمِعَ مِنْهُ شَيْئًا لَمْ يَكُنْ فِي نَقْلِهِ الْخَبَرَ عَمَّنْ رَوَى عَنْهُ ذَلِكَ وَالْأَمْرُكَمَا وَصَفْنَا حُجَّةً وَكَانَ الْخَبَرُ عِنْدَهُ مَوْقُوفًا حَتَّى يَرِدَ عَلَيْهِ سَمَاعُهُ مِنْهُ لِشَيْءٍ مِنَ الْحَدِيثِ . قَلَّ أَوْ كَثُرَ فِيرِوَايَةٍ مِثْلِ مَا وَرَدَ .

বিশর ইবনুল হাকাম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ আল কাত্তানকে বলতে শুনেছি, তিনি হাকীম ইবনু যুবায়র ও ‘আবদুল আ‘লাকে (ইবনু আমির সা‘লাবী) য‘ঈফ আল কাত্তানকে বলতে শুনেছি, তিনি হাকীম ইবনু যুবায়র ও ‘আবদুল আ‘লাকে (ইবনু আমির সা‘লাবী) য‘ঈফ (দুর্বল) বলেছেন এবং ইয়াহ্ইয়া ইবনু মূসা ইবনু দীনারকেও য‘ঈফ (দুর্বল) বলেছেন। তিনি আরো বলেছেন, তার হাদীস হচ্ছে বাতাসের মত। তিনি মূসা ইবনু দিহকান ও ‘ঈসা ইবনু আবূ ‘ঈসা মাদানীকেও য‘ঈফ বলেছেন। ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, আমি হাসান ইবনু ‘ঈসা (রহঃ)-এর কাছে শুনেছি তিনি বলেন, আমাকে ইবনু মুবারক বলেছেন, যখন তুমি জারীরের নিকট যাবে তখন তিন ব্যক্তির হাদীস ছাড়া আর সমস্ত হাদীস লিপিবদ্ধ করে নিও। এ তিন ব্যক্তি হচ্ছে : ‘উবাইদাহ্ ইবনু মু‘আত্তিব, আস্ সারী ইবনু ইসমা‘ঈল ও মুহাম্মাদ ইবনু সালিম।ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, রাবীদের দোষ-ত্রুটি ও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ‘আলিমদের যে মতামত আমরা বর্ণনা করেছি তার ফিরিস্তি বেশ দীর্ঘ। এ সম্পর্কে কিছু আলোচনার অন্তর্ভুক্ত করতে গেলে কিতাবের পরিধি লম্বা হয়ে যাবে। তবে আমরা এখানে যা আলোচনা করেছি তা যে কোন বিচক্ষণ ও হাদীস সম্পর্কীয় নীতি-পদ্ধতি ব্যক্তির পক্ষে যথেষ্ট। মুহাদ্দিসগণ রাবী এবং ঘটনা বর্ণনাকারীদের দোষ-ত্রটি প্রকাশ করে দেয়া অপরিহার্য মনে করেছেন।বর্ণনাকারীদের দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে যখনই তাঁদের জিজ্ঞেস করা হয়েছে, তখনই তাঁরা তা দীনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ মনে করে বৈধ বলে ফাতাওয়া দিয়েছেন। কেননা, দীনের কোন কথা বর্ণনা করলে তার মাধ্যমে হয় কোন কাজ হালাল অথবা হারাম প্রমাণিত হবে, অথবা তাতে কোন কাজ করার নির্দেশ অথবা নিষেধ থাকবে, অথবা এর মাধ্যমে কোন কাজ করতে উৎসাহিত করা হবে বা কোন কাজ না করার জন্য সাবধান করা হবে।যা হোক, কোন রাবীর মধ্যে যদি সততা ও বিশ্বস্ততার উপাদান না থাকে, আর অন্য রাবী, তার কাছ থেকে হাদীস বর্ণনার সময় জানা সত্ত্বেও যদি তার সম্পর্কে লোকদের সামনে এ ত্রুটি তুলে না ধরে তবে সে গুনাহগার হবে এবং সাধারণ মুসলিমদের সাথে প্রতারক বলে গণ্য হবে। কেননা, যারা এ সব হাদীস শুনবে, তারা এ সবগুলোর উপর অথবা এর কোন একটির উপর ‘আমাল করবে। অথচ এর সবগুলো অথবা অধিকাংশই ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। নির্ভরযোগ্য ও আস্থাশীল বর্ণনাকারীদের বর্ণিত নির্ভুল ও সহীহ হাদীসের এক বিরাট সম্ভার আমাদের সামনে রয়েছে। কাজেই এমন এক ব্যক্তি থেকে হাদীস গ্রহণ করার জন্য ব্যস্ত হওয়ার আদৌ কোন প্রয়োজন নেই যার বর্ণনা নির্ভরযোগ্য নয় এবং সে নিজেও বিশ্বস্ত রাবী নয়।আমি মনে করি না, যে সব লোক এ ধরনের য‘ঈফ হাদীস এবং অখ্যাত সানাদ বর্ণনা করে এবং এ সবের ত্রুটি-বিচ্যুতি ও দুর্বলতা সম্পর্কে অবহিত হওয়া সত্ত্বেও এর গুরুত্ব দিয়ে থাকে, তাদের উদ্দেশ্য হলো নিজেদের সাধারণ মানুষের কাছে বড় বিদ্বান হিসেবে পরিচিত করা এবং এজন্য যে, লোকেরা বলবে, সুবহানাল্লাহ! অমুক ব্যক্তি কত হাদীস সংগ্রহ করেছে, কত হাদীস সংকলন করেছে! ‘ইলমে হাদীসের ক্ষেত্রে যে এ নীতি অবলম্বন করে এবং এ পথে পা বাড়ায়, হাদীস শাস্ত্রে তার কোন স্থান নেই। বস্তুতঃ এমন ব্যক্তি ‘আলিম (জ্ঞানী) হিসেবে আখ্যায়িত না হয়ে জাহিল (মূর্খ) নামে অভিহিত হওয়ার অধিক যোগ্য।ইমাম মুসলিম (রহঃ) বলেন, আমাদের যুগের নিজ থেকে তুড়িৎ ঘোষণাদাতা হাদীস বিশারদ হাদীসের সানাদ সবল হওয়ার ব্যাপারে অভিমত প্রকাশ করেছেন। তার সে ভ্রান্ত অভিমত লিপিবদ্ধ করা এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি আলোচনা করা থেকে বিরত থাকাই সঠিক মত ও পথ ছিল।কেননা, ভ্রান্ত মতামত নির্মূল করা এবং এর প্রবক্তার নাম মুছে ফেলার জন্যে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নীরব থাকা উত্তম। এ পদ্ধতি অশিক্ষিত লোকদের এসব ভ্রান্ত মতামত সম্বন্ধে অনবহিত রাখার উত্তম ব্যবস্থা। কিন্তু যখন মূর্খ লোকদের ভুল মতামতের প্রতি তড়িৎ বিশ্বাস স্থাপন ও উলামায়ে কিরামের নিকট যা অগ্রহণযোগ্য সে সবের প্রতি তাদের আকৃষ্ট হওয়ার অশুভ পরিণাম সম্পর্কে চিন্তা করলাম তখন আমরা এদের ভ্রান্ত মতের উল্লেখ করে তার মূলোৎপাটন করা জরুরী মনে করলাম। ইনশাআল্লাহ, এ কাজ মানুষের জন্যে হবে কল্যাণকর এবং এর পরিণামও হবে শুভ।যার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আমরা আলোচনা শুরু করেছি এবং যার অগ্রহণযোগ্য রিওয়ায়াত আমরা বাতিল বলে ঘোষণা করেছি, তার অভিমত হচ্ছে, যদি সানাদের মধ্যে অমুক অমুকের কাছ থেকে এভাবে উল্লেখ থাকে এবং এ কথা জানা যায় যে, তারা উভয়ই একই যুগের রাবী, একই সময়ে বর্তমান ছিলেন, তাছাড়া হাদীসটি সরাসরি শুনার এবং পরস্পর সাক্ষাৎ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে, কিন্তু সে তার উর্ধ্ব রাবীর কাছ থেকে শুনেছে বলে আমরা নিশ্চিতভাবে জানতে পারিনি এবং কোন রিওয়ায়াতেও আমরা পাইনি যে, তাদের উভয়ের কখনও সাক্ষাৎ ঘটেছে অথবা সামনাসামনি কথাবার্তা হয়েছে, তাহলে এক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তির কাছে এভাবে যত হাদীস বর্ণিত হবে, তা দলীল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না- যে পর্যন্ত প্রমাণিত না হবে তারা উভয়ে জীবনে একবার কিংবা একাধিকবার কোথাও একত্রিত অথবা সামনাসামনি হয়েছিল এমন হাদীস পাওয়া যায়, যাতে উল্লেখ রয়েছে যে, জীবনে অন্ততঃ একত্রিত হয়েছে বা একবার তাদের সাক্ষাৎ হয়েছে। সুতরাং যদি এ বর্ণনাকারী ও গ্রহণকারীর মধ্যে সাক্ষাতের কিংবা সামনাসামনি হওয়ার কথা না জানা যায় এবং কোন হাদীস বর্ণনায় যদি তাদের মধ্যে অন্ততঃ একবার সাক্ষাতের এবং তার থেকে কিছু শুনার প্রমাণ না পাওয়া যায়, তাহলে ঐ ব্যক্তি হাদীস দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। বরং এ পর্যায়ের হাদীস গ্রহণ করা স্থগিত থাকবে- যে পর্যন্ত এক বা একাধিক হাদীস দ্বারা সাক্ষাৎ ও শুনার প্রমাণ না পাওয়া যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন