২৪/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৩৯ - মায়ের যবেহে বাচ্চার যবেহ
যবেহকৃত পশুর উদরস্থ বাচ্চার যবেহ
পূর্ণাঙ্গ গর্ভস্থ বাচ্চার যবেহ সম্পর্কে সহজ ব্যাখ্যা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৩৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৩৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ قُسَيْطٍ اللَّيْثِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ ذَكَاةُ مَا فِي بَطْنِ الذَّبِيحَةِ فِي ذَكَاةِ أُمِّهِ إِذَا كَانَ قَدْ تَمَّ خَلْقُهُ وَنَبَتَ شَعَرُهُ.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উদরস্থ বাচ্চাটি যদি পূর্ণাঙ্গ হয়ে থাকে এবং উহার লোম গজিয়ে থাকে তবে মায়ের যবেহ বাচ্চার যবেহ বলে গণ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) বলেন, যবেহকৃত পশুর পেটের বাচ্চার যবেহ মায়ের যবেহের মধ্যেই গণ্য হবে, যদি বাচ্চার অঙ্গ পূর্ণ হয়ে থাকে এবং লোম গজিয়ে থাকে। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো মায়ের যবেহের সঙ্গে গর্ভস্থ বাচ্চার যবেহ গণ্য হওয়া। এখানে শর্ত দুটি খুব স্পষ্ট: পূর্ণাঙ্গ সৃষ্টি এবং লোম গজানো। তাই এই বর্ণনা থেকে সাধারণভাবে সব ধরনের গর্ভস্থ বাচ্চার বিষয়ে কথা বলা ঠিক নয়; বরং বর্ণনায় যে শর্ত এসেছে সেটিই মূল। “গর্ভস্থ বাচ্চার যবেহ” বিষয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গর্ভস্থ বাচ্চার যবেহ মায়ের যবেহে গণ্য হওয়ার কথা এসেছে।
- পূর্ণাঙ্গ অঙ্গ ও লোম গজানো শর্ত হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- বর্ণনায় থাকা শর্ত বাদ দিয়ে সাধারণ কথা বলা ঠিক নয়।
- যবেহের বিধানে সূক্ষ্ম শর্ত জানা দরকার।
