২৪/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৩৮ - গর্ভস্থ বাচ্চার যবেহ
যবেহকৃত পশুর উদরস্থ বাচ্চার যবেহ
মায়ের যবেহে গর্ভস্থ বাচ্চার যবেহ গণ্য হওয়ার শর্ত
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১০৩৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১০৩৮
حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ كَانَ يَقُوْلُ: إِذَا نُحِرَتْ النَّاقَةُ فَذَكَاةُ مَا فِي بَطْنِهَا فِي ذَكَاتِهَا إِذَا كَانَ قَدْ تَمَّ خَلْقُهُ وَنَبَتَ شَعَرُهُ فَإِذَا خَرَجَ مِنْ بَطْنِ أُمِّهِ ذُبِحَ حَتَّى يَخْرُجَ الدَّمُ مِنْ جَوْفِهِ.
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উটনী নাহর করা হলে উহার উদরস্থ বাচ্চাটিরও যবেহ হয়েছে বলে গণ্য হবে। শর্ত হল, বাচ্চার সমস্ত অঙ্গ পূর্ণ হতে হবে এবং উহার লোম গজাতে হবে। আর বাচ্চাটি যদি জীবিত বের হয় তবে রক্ত বের করে দেওয়ার উদ্দেশ্য আলাদাভাবে উহা যবেহ করতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১০৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলেন, উটনী নাহর করা হলে তার পেটের বাচ্চার যবেহও মায়ের যবেহের মধ্যে গণ্য হবে। তবে শর্ত হলো, বাচ্চার সব অঙ্গ পূর্ণ হতে হবে এবং তার লোম গজাতে হবে। আর যদি বাচ্চাটি জীবিত অবস্থায় বের হয়, তবে রক্ত বের করার জন্য তাকে আলাদাভাবে যবেহ করতে হবে। হাদিসটির মূল বিষয় হলো গর্ভস্থ বাচ্চার যবেহ। এখানে দুটি অবস্থা আলাদা করে বলা হয়েছে: পূর্ণাঙ্গ ও লোমওয়ালা বাচ্চা যদি মায়ের পেটে থাকে, আর জীবিত বের হলে আলাদা যবেহ। তাই এই বর্ণনা ব্যাখ্যা করতে গেলে শর্তগুলো স্পষ্টভাবে বলা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মায়ের যবেহে গর্ভস্থ বাচ্চার যবেহ গণ্য হওয়ার কথা এসেছে।
- বাচ্চার অঙ্গ পূর্ণ হওয়া ও লোম গজানো শর্ত হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- জীবিত বের হলে আলাদাভাবে যবেহ করতে বলা হয়েছে।
- যবেহের বিধানে অবস্থাভেদে পার্থক্য আছে।
