২৮/৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১০১ - ফুফু-ভাতিজি ও খালা-ভাগ্নির একত্র বিবাহ নিষেধ
যে মহিলাকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ করা বৈধ নয়
ফুফু-ভাতিজি ও খালা-ভাগ্নিকে একত্রে বিবাহ করার বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১০১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১০১
و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يُجْمَعُ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَعَمَّتِهَا وَلَا بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَخَالَتِهَا.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : কোন নারীকে তার ফুফুর সাথে এবং কোন নারীকে তার খালার সাথে বিবাহে একত্র করা যাবে না [অর্থাৎ একই পুরুষ এইরূপ দুই নারীকে এক সঙ্গে দুই স্ত্রীরূপে গ্রহণ করবে না]।
(বুখারী ৫১০৯, মুসলিম ১৪০৮)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব পরিষ্কারভাবে বলেছেন, কোনো নারীকে তার ফুফুর সঙ্গে এবং কোনো নারীকে তার খালার সঙ্গে একই পুরুষের বিবাহে একত্র করা যাবে না। অর্থাৎ একজন পুরুষ এমন দুই নারীকে একসঙ্গে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে না, যাদের একজন অন্যজনের ফুফু বা খালা হয়। মূল বিষয় হলো বিবাহের নিষিদ্ধ সমন্বয়। এ হাদিস পরিবার, আত্মীয়তা এবং বিবাহের সীমা বুঝতে সাহায্য করে। ইসলামে বিবাহ শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়; এতে আত্মীয়তার মর্যাদা ও পারিবারিক বন্ধনও গুরুত্ব পায়। তাই ‘ফুফু-ভাতিজি একত্রে বিবাহ’, ‘খালা-ভাগ্নি একত্রে বিবাহ’ এবং ‘বিবাহে নিষিদ্ধ নারী’—এসব বিষয়ে এই হাদিস একটি সরাসরি নির্দেশনা দেয়। এখানে কোনো অতিরিক্ত শর্ত বা ব্যাখ্যা নেই; মূল নিষেধটি স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই পুরুষের স্ত্রী হিসেবে কোনো নারীকে তার ফুফুর সঙ্গে একত্র করা যাবে না।
- কোনো নারীকে তার খালার সঙ্গে একই বিবাহে একত্র করাও নিষিদ্ধ।
- বিবাহের ক্ষেত্রে আত্মীয়তার সম্পর্ক ও শরয়ি সীমা জানা জরুরি।
- পরিবারের ভেতরে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে—এমন সমন্বয় থেকে বিরত থাকতে হবে।
