২৮/৮. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১০২ - ফুফু-খালার সঙ্গে বিবাহ ও গর্ভবতী দাসীর বিধান
যে মহিলাকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ করা বৈধ নয়
ফুফু-খালার সঙ্গে একত্র বিবাহ ও গর্ভবতী দাসীর বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১০২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১০২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ يُنْهَى أَنْ تُنْكَحَ الْمَرْأَةُ عَلَى عَمَّتِهَا أَوْ عَلَى خَالَتِهَا وَأَنْ يَطَأَ الرَّجُلُ وَلِيدَةً وَفِي بَطْنِهَا جَنِينٌ لِغَيْرِهِ.
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (রহঃ) বলতেন : কোন নারীকে তার ফুফু কিংবা খালার সঙ্গে একই পুরুষের স্ত্রী হতে নিষেধ করতে হবে। আরো নিষেধ করা হবে, কোন ব্যক্তিকে এমন দাসীর সহিত সহবাস করা হতে, যে দাসীর গর্ভে অন্য পক্ষের সন্তান রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১০২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) দুটি বিষয়ে নিষেধের কথা বলেছেন। প্রথমত, কোনো নারীকে তার ফুফু কিংবা খালার সঙ্গে একই পুরুষের স্ত্রী হিসেবে রাখা থেকে নিষেধ করতে হবে। এটি বিবাহে নিষিদ্ধ সমন্বয়ের বিষয়। দ্বিতীয়ত, এমন দাসীর সঙ্গে সহবাস করা থেকে নিষেধ করা হবে, যার গর্ভে অন্য পক্ষের সন্তান রয়েছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, বিবাহ ও সহবাসের ক্ষেত্রে সম্পর্ক, অধিকার এবং গর্ভের সন্তানের বিষয়কে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। হাদিসের ভাষায় বিষয়টি ফিকহি নিয়মের মতো এসেছে, তাই ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যেই রাখা উচিত। ‘ফুফু-খালার সঙ্গে বিবাহ’, ‘গর্ভবতী দাসীর বিধান’ এবং ‘বিবাহের নিষিদ্ধ সম্পর্ক’—এসব বিষয়ের জন্য এই বর্ণনা সরাসরি প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নারীকে তার ফুফু বা খালার সঙ্গে একই পুরুষের স্ত্রী হিসেবে রাখা যাবে না।
- অন্যের সন্তানসম্ভবা দাসীর সঙ্গে সহবাস থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
- বিবাহ ও সহবাসের ক্ষেত্রে সম্পর্ক ও গর্ভের বিষয় বিবেচ্য।
- শরয়ি সীমা জানা না থাকলে পারিবারিক ও অধিকারগত জটিলতা তৈরি হতে পারে।
