২৯/৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৪৯ - ইখতিয়ারে স্ত্রীর ফয়সালা
স্ত্রীকে তালাকের অধিকার প্রদানের বর্ণনা
ইখতিয়ার তালাক: স্ত্রীর ফয়সালা ও স্বামীর হলফ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১১৪৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১১৪৯
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقُوْلُ: إِذَا مَلَّكَ الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ أَمْرَهَا فَالْقَضَاءُ مَا قَضَتْ بِهِ إِلَّا أَنْ يُنْكِرَ عَلَيْهَا وَيَقُولُ لَمْ أُرِدْ إِلَّا وَاحِدَةً فَيَحْلِفُ عَلَى ذَلِكَ وَيَكُونُ أَمْلَكَ بِهَا مَا كَانَتْ فِي عِدَّتِهَا.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমর (রাঃ) বলতেন : যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (তালাকের) ক্ষমতা প্রদান করে তবে (এক বা একাধিক তালাকের ব্যাপারে) স্ত্রীর ফয়সালাই ফয়সালা। হ্যাঁ, সে যদি উহা অস্বীকার করে এবং বলে, আমি এক তালাক ছাড়া অন্য কিছু উদ্দেশ্য করিনি এবং সেই মতে সে হলফ করেও বলে, তবে ইদ্দতের সময়ের মধ্যে স্ত্রীর অধিকার বিবেচিত হবে স্বামী (অর্থাৎ ইচ্ছা করলে স্বামী স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারবে)।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১১৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আব্দুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা প্রদান করে, তবে স্ত্রীর ফয়সালাই ফয়সালা। তবে একটি ব্যতিক্রমও বলা হয়েছে। যদি স্বামী অস্বীকার করে এবং বলে, সে এক তালাক ছাড়া অন্য কিছু উদ্দেশ্য করেনি, আর সে এ কথায় হলফ করে, তবে ইদ্দতের মধ্যে স্বামী স্ত্রীর ওপর অধিক হকদার থাকবে। অর্থাৎ সে চাইলে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে পারবে। এখানে স্ত্রীর হাতে ক্ষমতা দেওয়া, এক তালাকের নিয়ত, হলফ, ইদ্দত এবং রুজূ—এসব বিষয় একসঙ্গে এসেছে। বর্ণনাটি শেখায়, তালাকের ক্ষমতা দেওয়া গুরুতর সিদ্ধান্ত এবং নিয়ত স্পষ্ট রাখা খুব দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- স্ত্রীর হাতে ক্ষমতা দিলে তার ফয়সালাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- স্বামী এক তালাক উদ্দেশ্য করলে তাকে হলফ করতে বলা হয়েছে।
- ইদ্দতের মধ্যে রুজূর অধিকার প্রসঙ্গে বর্ণনায় কথা এসেছে।
- তালাকের ক্ষমতা দেওয়ার আগে উদ্দেশ্য পরিষ্কার থাকা দরকার।
