৩০/১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৫৮ - দোলনার বয়সে দুধপানের বিধান
শিশুদের দুধ পান করানো
দোলনার বয়সে রাযা‘আত: অল্প-বেশি দুধপানের বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১২৫৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১২৫৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ يَقُولُلَا رَضَاعَةَ إِلَّا مَا كَانَ فِي الْمَهْدِ وَإِلَّا مَا أَنْبَتَ اللَّحْمَ وَالدَّمَ১২و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّهُ كَانَ يَقُوْلُ: الرَّضَاعَةُ قَلِيلُهَا وَكَثِيرُهَا تُحَرِّمُ وَالرَّضَاعَةُ مِنْ قِبَلِ الرِّجَالِ تُحَرِّمُ.২২৪৫-قَالَ يَحْيَى و سَمِعْت مَالِكًا يَقُولُ الرَّضَاعَةُ قَلِيلُهَا وَكَثِيرُهَا إِذَا كَانَ فِي الْحَوْلَيْنِ تُحَرِّمُ فَأَمَّا مَا كَانَ بَعْدَ الْحَوْلَيْنِ فَإِنَّ قَلِيلَهُ وَكَثِيرَهُ لَا يُحَرِّمُ شَيْئًا وَإِنَّمَا هُوَ بِمَنْزِلَةِ الطَّعَامِ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি স্ত্রীলোকদের সন্তানদের দুধ পান করানো তখন গ্রহণযোগ্য হবে যখন তারা দোলনাতে থাকে এবং যা গোশত ও রক্ত সৃষ্টি করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবনু শিহাব (রহঃ) বলতেন : রাযা’আত [দুধ পান করান] অল্প হোক বেশি হোক উহা হারাম করবে। আর রাযা’আত পুরুষের পক্ষের আত্মীয়তাও হারাম করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহিয়া (রহঃ) বলেন : আমি মালিক (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি সন্তানদের দুধ পান অল্প হোক বা বেশি হোক, যদি উহা দুই বৎসরের মধ্যে হয় তবে হারাম করবে। তিনি বলেন, দুই বৎসরের পরে হলে অল্প হোক বা বেশি হোক উহা কিছুই হারাম করবে না। উহা হচ্ছে খাদ্যদ্রব্যের মতো।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১২৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র), ইবনু শিহাব (র) এবং ইমাম মালিক (র)-এর বক্তব্য এসেছে। সাঈদ (র) বলেন, দুধপান তখনই ধর্তব্য, যখন শিশু দোলনায় থাকে এবং তা গোশত ও রক্ত সৃষ্টি করে। ইবনু শিহাব (র) বলতেন, রাযা‘আত অল্প হোক বা বেশি হোক, তা হারাম করবে; আর পুরুষের পক্ষের আত্মীয়তাও হারাম করবে। ইয়াহইয়া (র) বলেন, তিনি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছেন, দুই বছরের মধ্যে দুধপান অল্প বা বেশি হলে হারাম করবে। কিন্তু দুই বছরের পরে হলে অল্প বা বেশি কোনো দুধপানই কিছু হারাম করবে না; তা খাদ্যের মতো। এই বর্ণনা রাযা‘আতের বয়স, পরিমাণ ও সম্পর্কের দিক বোঝায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুই বছরের মধ্যে দুধপান অল্প বা বেশি হলে প্রভাব রাখে।
- দুই বছরের পর দুধপানকে খাদ্যের মতো বলা হয়েছে।
- রাযা‘আতে পুরুষের পক্ষের আত্মীয়তাও বিবেচনায় আসে।
- দুধ-সম্পর্ক বুঝতে বয়স, পরিমাণ ও আত্মীয়তার দিক জানা দরকার।
