৩২/১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৬৯ - মুযারাবায় শ্রম ও মুনাফার ভাগ
কিরায [১] সম্পর্কে রেওয়ায়ত
[১] কিরায ও মুযারাবা একই অর্থে ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ শরীকী কারবার করা। একজনের শ্রম অন্যজনের টাকা। মুনাফা উভয়ে ভাগ করে নিবে।
মুযারাবা ব্যবসা: পুঁজি এক পক্ষের, শ্রম অন্য পক্ষের
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩৬৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩৬৯
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ أَعْطَاهُ مَالًا قِرَاضًا يَعْمَلُ فِيهِ عَلَى أَنَّ الرِّبْحَ بَيْنَهُمَا.
আলা ইবন আবদির রহমান (রহঃ) তার পিতার মধ্যস্থতায় তার দাদা হতে বর্ণিতঃ
উসমান ইবন আফফান (রাঃ) তাকে কিয়ায বা মুযারাবার উপর মাল দিয়েছিলেন যে, সে পরিশ্রম করবে আর মুনাফা উভয়ে ভাগ করে নিবে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, উসমান ইবন আফফান রা. একজনকে কিরায বা মুযারাবার ভিত্তিতে মাল দিয়েছিলেন। শর্ত ছিল, সে সেই মালে কাজ করবে এবং মুনাফা উভয়ের মধ্যে ভাগ হবে। মুযারাবা ব্যবসার সহজ ধারণা এখানে দেখা যায়: একজন পুঁজি দেয়, আর অন্যজন শ্রম ও ব্যবসার চেষ্টা করে। লাভ হলে তা আগে ঠিক করা নিয়মে ভাগ হয়। বর্ণনায় ক্ষতি, সময়, খরচ বা অন্য শর্ত নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি; তাই শুধু দেওয়া তথ্যের মধ্যেই থাকা উচিত। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, মুনাফা ভাগের চুক্তি পরিষ্কার হলে শরীকী কারবারের একটি বৈধ রূপ তৈরি হয়। ব্যবসায় শ্রম ও পুঁজির সম্পর্ককে ন্যায্যভাবে সাজানোই এখানে মূল কথা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুযারাবায় পুঁজি এক পক্ষের এবং শ্রম অন্য পক্ষের হতে পারে।
- মুনাফা ভাগের শর্ত আগে থেকেই স্পষ্ট থাকা দরকার।
- শ্রমের মূল্য ব্যবসায় স্বীকৃত হতে পারে।
- চুক্তির ভাষা সহজ ও পরিষ্কার হওয়া উচিত।
