৩৪/১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৯১ - জমি ভাড়ায় সোনা-চাঁদি ও ফসল নির্ধারণ
জমি (কেয়ারা) ভাড়া দেয়া
জমি ভাড়ার শর্ত: নির্দিষ্ট মূল্য ভালো, অনিশ্চিত ফসল নয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৩৯১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৩৯১
و حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يُكْرِي أَرْضَهُ بِالذَّهَبِ وَالْوَرِقِ ২৬২৯-و سُئِلَ مَالِك عَنْ رَجُلٍ أَكْرَى مَزْرَعَتَهُ بِمِائَةِ صَاعٍ مِنْ تَمْرٍ أَوْ مِمَّا يَخْرُجُ مِنْهَا مِنْ الْحِنْطَةِ أَوْ مِنْ غَيْرِ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا فَكَرِهَ ذَلِكَ.
হিশাম ইব্নু উরওয়া (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণিতঃ
তাঁর পিতা যুবায়র নিজের জমি সোনা-চাঁদির বিনিময়ে ভাড়া দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করা হয়েছিল, যদি কোন ব্যক্তি স্বীয় জমি এই শর্তে ভাড়া দেয় যে, উৎপাদিত ফসলের এই পরিমাণ (যেমন একশত সা’) নিব এমতাবস্থায় মাসআলা কি? তিনি বললেন, “ইহা মাকরূহ।“
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৩৯১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, যুবায়র (রহঃ) নিজের জমি সোনা-চাঁদির বিনিময়ে ভাড়া দিতেন। এরপর ইমাম মালিক (রহঃ)-কে এমন জমি ভাড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়, যেখানে শর্ত করা হয় যে উৎপাদিত ফসল থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ, যেমন একশত সা‘, নেওয়া হবে। তিনি এটিকে মাকরূহ বলেছেন। এখানে শিক্ষা হলো, জমি ভাড়ায় ভাড়ার ধরন পরিষ্কার হওয়া দরকার। সোনা-চাঁদির মতো নির্দিষ্ট ভাড়া জানা যায়। কিন্তু ফসল উৎপাদন অনিশ্চিত; কত হবে বা হবে কি না, তা আগে নিশ্চিত নয়। তাই কৃষি জমি ভাড়ায় ধোঁকা ও ঝগড়ার পথ বন্ধ রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সোনা-চাঁদির নির্দিষ্ট ভাড়া লেনদেনকে পরিষ্কার করে।
- ফসলের নির্দিষ্ট অংশ বা পরিমাণ শর্তে অনিশ্চয়তা থাকতে পারে।
- জমি ভাড়ায় ঝগড়া কমাতে শর্ত স্পষ্ট করা দরকার।
