৩৮/৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৬৮ - জারজ সন্তান দাস আযাদ করলে কাফফারা আদায় হবে কি
পূর্বে যার উপর দাসমুক্তি ওয়াজিব হয়েছে তার জন্য কি ধরনের দাস মুক্ত করা জায়েয তার বর্ণনা
জারজ সন্তান দাস আযাদ: ওয়াজিব রাকাবার একটি মাসআলা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৬৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪৬৮
و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ الْمَقْبُرِيِّ أَنَّهُ قَالَ سُئِلَ أَبُو هُرَيْرَةَ عَنْ الرَّجُلِ تَكُونُ عَلَيْهِ رَقَبَةٌ هَلْ يُعْتِقُ فِيهَا ابْنَ زِنًا فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ نَعَمْ ذَلِكَ يُجْزِئُ عَنْهُ.
মাকবুরী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর দাস বা দাসীর আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে। প্রশ্নটি হল, সে ব্যক্তি জারজ সন্তান আযাদ করতে পারবে কি? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, উহা তার জন্য যথেষ্ট হবে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ হুরায়রা (রা)-কে একটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন করা হয়। একজন মানুষের ওপর দাস বা দাসী আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে। সে কি জারজ সন্তানকে আযাদ করতে পারবে? আবূ হুরায়রা (রা) বলেন, হ্যাঁ, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে। হাদিসটি ছোট হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে। এখানে ব্যক্তির জন্মপরিচয়কে কেন্দ্র করে আযাদীর কার্যকারিতা বাতিল বলা হয়নি। বরং প্রশ্নের উত্তরে যথেষ্ট বলা হয়েছে। তাই এই বর্ণনায় রাকাবা ওয়াজিবা, জারজ সন্তান দাস আযাদ এবং কাফফারার মতো বিষয়ে সীমিত কিন্তু সরাসরি নির্দেশনা পাওয়া যায়। ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত সামাজিক মন্তব্য যোগ না করে মূল কথায় থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়াজিব আযাদীতে জারজ সন্তান দাস আযাদ করার প্রশ্ন এসেছে।
- আবূ হুরায়রা (রা) এটিকে যথেষ্ট বলেছেন।
- জন্মপরিচয় নিয়ে অতিরিক্ত কঠোরতা এই বর্ণনায় করা হয়নি।
- হাদিসের ছোট উত্তরও একটি স্পষ্ট ফিকহি দিক দেখায়।
