৩৮/৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৬৯ - ওয়াজিব আযাদীতে জারজ সন্তান দাসের বিধান
পূর্বে যার উপর দাসমুক্তি ওয়াজিব হয়েছে তার জন্য কি ধরনের দাস মুক্ত করা জায়েয তার বর্ণনা
জারজ সন্তান দাস আযাদ: ফুযালা (রা)-এর জবাব
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৪৬৯
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৪৬৯
و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ عَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ الْأَنْصَارِيِّ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ الرَّجُلِ تَكُونُ عَلَيْهِ رَقَبَةٌ هَلْ يَجُوزُ لَهُ أَنْ يُعْتِقَ وَلَدَ زِنًا قَالَ نَعَمْ ذَلِكَ يُجْزِئُ عَنْهُ.
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
ফুযালা ইব্নু উবায়দ আনসারী (রাঃ) হতে, তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সাহাবীদের একজন। তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর রাকাবা (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করা ওয়াজিব, তার পক্ষে জারজ সন্তান আযাদ করা জায়েয হবে কি? তিনি বললেন হ্যাঁ, উহা তার পক্ষে যথেষ্ট হবে।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৪৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ফুযালা ইব্নু উবায়দ আনসারী (রা)-এর কাছে একই ধরনের একটি প্রশ্ন করা হয়। তিনি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের একজন ছিলেন। প্রশ্ন ছিল, যার ওপর রাকাবা বা দাস-দাসী আযাদ করা ওয়াজিব, সে কি জারজ সন্তানকে আযাদ করতে পারবে? তিনি উত্তর দেন, হ্যাঁ, তা তার পক্ষে যথেষ্ট হবে। এ কথাটি ১৪৬৮ নম্বর বর্ণনার বক্তব্যের সঙ্গে একই বিষয়কে শক্ত করে। এখানে মূল জোর ব্যক্তির জন্মপরিচয় নয়, বরং রাকাবা আযাদ করার কাজটি সম্পন্ন হওয়া। তাই ওয়াজিব আযাদ, জারজ সন্তান দাস এবং যথেষ্ট হওয়ার বিধান—এই তিনটি বিষয় সহজভাবে বুঝতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবী ফুযালা (রা) জারজ সন্তান দাস আযাদকে যথেষ্ট বলেছেন।
- ওয়াজিব রাকাবায় জন্মপরিচয়কে বাধা বলা হয়নি।
- প্রশ্নের উত্তর সংক্ষিপ্ত হলেও বিধানটি পরিষ্কার।
- আযাদীর মূল কাজটি সম্পন্ন হওয়াই এখানে আলোচিত বিষয়।
