৪১/১. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫১৩ - রজমের বিধান ও প্রমাণ
প্রস্তরাঘাত করা
রজমের বিধান: সাক্ষ্য, গর্ভ ও স্বীকারোক্তি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫১৩
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫১৩
حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ يَقُولُ الرَّجْمُ فِي كِتَابِ اللهِ حَقٌّ عَلَى مَنْ زَنَى مِنْ الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ إِذَا أُحْصِنَإِذَا قَامَتْ الْبَيِّنَةُ أَوْ كَانَ الْحَبَلُ أَوْ الْاعْتِرَافُ
আবদুল্লাহ্ ইব্নু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহ্র কিতাবে প্রস্তরাঘাতের যে বিধান রয়েছে উহা বাস্তব সত্য। যে ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হয় সে পুরুষ হোক অথবা নারী, যদি বিবাহিতা হয় আর চারজন সাক্ষী পাওয়া যায় অথবা তার পেটে বাচ্চা হয় বা স্বীকার করে, তবে প্রস্তরাঘাত করা হবে।
(বুখারী ৬৮২৯, ৬৮৩০, মুসলিম ১৬৯১)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫১৩-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: রজম। এই হাদিসে উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-এর বক্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, আল্লাহর কিতাবে রজমের বিধান বাস্তব সত্য। যে পুরুষ বা নারী ব্যভিচারে লিপ্ত হয় এবং সে বিবাহিত হয়, তখন চারজন সাক্ষী পাওয়া গেলে, অথবা গর্ভ দেখা গেলে, অথবা স্বীকারোক্তি থাকলে রজমের বিষয় আসে। এই হাদিসে তিন ধরনের প্রমাণ উল্লেখ হয়েছে: সাক্ষ্য, গর্ভ এবং স্বীকারোক্তি। তাই রজমের হাদিস নিয়ে আলোচনা করতে হলে শুধু শাস্তির কথা নয়, প্রমাণের কথাও বোঝা দরকার। বর্ণনাটি ব্যক্তিগত প্রয়োগের কথা বলে না; এটি বিচার ও প্রমাণের নিয়মের কথা বলে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিবাহিত অবস্থার বিষয়টি বিধানে গুরুত্বপূর্ণ।
- সাক্ষ্য, গর্ভ বা স্বীকারোক্তি প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- শুধু অভিযোগ নয়, প্রমাণের ভিত্তি প্রয়োজন।
- উমার (রা) রজমের বিধানকে সত্য বলে উল্লেখ করেছেন।
