৪১/৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫২০ - বলপূর্বক ব্যভিচার ও নির্যাতিতের দায়মুক্তি
ব্যভিচারের শাস্তির বিভিন্ন হাদীস
বলপূর্বক ব্যভিচার: অপরাধী শাস্তি পায়, নির্যাতিত নয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫২০
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫২০
حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدًا كَانَ يَقُومُ عَلَى رَقِيقِ الْخُمُسِ وَأَنَّهُ اسْتَكْرَهَ جَارِيَةً مِنْ ذَلِكَ الرَّقِيقِ فَوَقَعَ بِهَا فَجَلَدَهُ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَنَفَاهُوَلَمْ يَجْلِدْ الْوَلِيدَةَ لِأَنَّهُ اسْتَكْرَهَهَا
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একজন গোলাম গনীমতের এক-পঞ্চমাংশের মালের মধ্যে যে সকল দাসদাসী ছিল তাদের দেখাশুনার দায়িত্বে ছিল। অতঃপর এক দাসীর সাথে বলপূর্বক ব্যভিচার করেছিল। উমর (রাঃ) তাকে বেত্রাঘাত করে নির্বাসনে দিলেন, (কিন্তু) তিনি দাসীকে প্রহার করলেন না। কারণ তার উপর বল প্রয়োগ করা হয়েছিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫২০-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: জবরদস্তি। এই বর্ণনায় একজন গোলাম গনীমতের এক-পঞ্চমাংশের মালের দাসদাসীদের দেখাশোনার দায়িত্বে ছিল। সে সেই দাসীদের একজনের সঙ্গে বলপূর্বক ব্যভিচার করে। উমার (রা) তাকে বেত্রাঘাত করেন এবং নির্বাসনে দেন। কিন্তু দাসীকে প্রহার করেননি, কারণ তার উপর জোর করা হয়েছিল। এই হাদিসে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা আছে: জোরপূর্বক ঘটানো অপরাধে ভুক্তভোগীকে অপরাধী ধরা হয়নি। শাস্তি দেওয়া হয়েছে সেই ব্যক্তিকে, যে জোর করেছে। হাদিসের ভাষা অনুযায়ী এখানে মূল শব্দগুলো হলো বলপূর্বক ব্যভিচার, বেত্রাঘাত, নির্বাসন এবং নির্যাতিতের দায়মুক্তি। ব্যাখ্যায় এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বল প্রয়োগের শিকার দাসীকে শাস্তি দেওয়া হয়নি।
- জোরকারী ব্যক্তিকে বেত্রাঘাত ও নির্বাসন দেওয়া হয়েছে।
- নির্যাতিতকে অপরাধী বানানো হয়নি।
- বিচারে জবরদস্তি ও সম্মতির পার্থক্য বিবেচিত হয়েছে।
