৪১/৭. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫২৬ - চুরির শাস্তি ও তিন দিরহামের সীমা

কোন্ প্রকারের বস্তু চুরি করলে হাত কাটা ওয়াজিব হয়

চুরির শাস্তি: তিন দিরহাম মূল্যের ঢালের বিধান

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫২৬

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَطَعَ فِي مِجَنٍّ ثَمَنُهُ ثَلَاثَةُ دَرَاهِمَ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) একটি ঢালের মূল্যের বিনিময়ে, যার মূল্য তিন দিরহাম ছিল, হাত কাটার আদেশ করেছেন।

(বুখারী ৬৭৯৫, মুসলিম ১৬৮৬)

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫২৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের কোর বিষয় হলো চুরির শাস্তি এবং চুরি করা মালের ন্যূনতম মূল্য। আবদুল্লাহ ইব্নু উমার (রা) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঢালের কারণে হাত কাটার আদেশ করেছিলেন, যার মূল্য ছিল তিন দিরহাম। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু চুরির দণ্ডবিধি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে শুধু “চুরি” বলা হয়নি; চুরি করা জিনিসের মূল্যও উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ইসলামী আইনে শাস্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে মাল কতটুকু মূল্যবান, সেটিও বিবেচ্য। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, দণ্ড নির্ধারণে নির্দিষ্ট সীমা ও বিচারিক নিয়ম আছে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের বিষয় ব্যক্তিগতভাবে প্রয়োগ করার সুযোগ নেই; বর্ণনাটি বিচারিক বিধান বোঝায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • চুরির শাস্তিতে চুরি করা মালের মূল্য বিবেচিত হয়।
  • তিন দিরহাম মূল্যের ঢালের ঘটনা বিচারিক সীমা বোঝায়।
  • দণ্ডবিধি আবেগের বিষয় নয়; তা বিচারিক নিয়মের সঙ্গে যুক্ত।
  • অন্যের সম্পদ নেওয়া গুরুতর অপরাধ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন