৪৩/১৯. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫৬৮ - সম্মিলিত হত্যার কিসাস
ধোঁকা দিয়ে বা যাদু করে কাউকে হত্যা করা
সম্মিলিত হত্যা ও কিসাস: উমার (রা)-এর কঠোর ফায়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৫৬৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৫৬৮
و حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ قَتَلَ نَفَرًا خَمْسَةً أَوْ سَبْعَةً بِرَجُلٍ وَاحِدٍ قَتَلُوهُ قَتْلَ غِيلَةٍ وَقَالَ عُمَرُ لَوْ تَمَالَأَ عَلَيْهِ أَهْلُ صَنْعَاءَ لَقَتَلْتُهُمْ جَمِيعًا
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উমর ইবনু খাত্তাব (রাঃ) এক ব্যক্তির হত্যার দায়ে পাঁচ অথবা সাত জনের এক দলকে হত্যা করেছিল, যারা ধোঁকা দিয়ে সেই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। অতঃপর তিনি বললেন, যদি এই ব্যক্তির হত্যা কার্যে সমস্ত সান‘আবাসীও শরীক হত, তবে আমি সকলকেই হত্যা করতাম।
(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৫৬৮-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: কিসাস। এই বর্ণনায় উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এক ব্যক্তির হত্যার দায়ে পাঁচ অথবা সাতজনের একটি দলকে হত্যা করেন। তারা ধোঁকা দিয়ে সেই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। এরপর উমার (রা) বলেন, যদি সান‘আবাসীর সবাইও এই হত্যায় শরীক হতো, তবে তিনি সবাইকে হত্যা করতেন। এই হাদিসে ব্যক্তির প্রাণের মর্যাদা এবং সম্মিলিত অপরাধের দায় খুব স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এখানে শুধু একজনের হাতে আঘাতের কথা নয়; বরং একদল লোক পরিকল্পনা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে হত্যায় যুক্ত ছিল। তাই মূল শিক্ষা হলো, হত্যায় অংশীদার হওয়া ছোট বিষয় নয়; সম্মিলিত অপরাধেও দায় ভাগ হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কয়েকজন মিলে হত্যায় অংশ নিলে সম্মিলিত দায় তৈরি হয়।
- ধোঁকা দিয়ে হত্যা করা গুরুতর অপরাধ হিসেবে এসেছে।
- একজন মানুষের প্রাণের মর্যাদা বহু মানুষের বিরুদ্ধে বিচার আনতে পারে।
- অপরাধে সহযোগিতা করলে শুধু প্রত্যক্ষ আঘাতকারী নয়, অংশগ্রহণকারীরাও দায়ী হতে পারে।
