৩/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৪ - আবূ হুরায়রার নামাজ শিক্ষা ও তাকবীর
নামাযের আরম্ভ
নামাজে তাকবীরের শিক্ষা: আবূ হুরায়রা রাঃ-এর আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৬৪
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৬৪
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ كَانَ يُصَلِّي لَهُمْ فَيُكَبِّرُ كُلَّمَا خَفَضَ وَرَفَعَ فَإِذَا انْصَرَفَ قَالَ وَاللهِ إِنِّي لَأَشْبَهُكُمْ بِصَلَاةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
আবি সালমা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) তাদের (শিক্ষাদানের) উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করতেন এবং তিনি যতবার নিচের দিকে ঝুঁকতেন ও মাথা উপরে তুলতেন ততবার তাকবির বলতেন। নামাজ শেষ করার পর তিনি বলতেন, তোমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামাজের সাথে আমি অধিকতর সামঞ্জস্য-রক্ষাকারী।
(বুখারী ৭৮৫, মুসলিম ৩৯২)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা রাঃ-এর মাধ্যমে নামাজে তাকবীর বলার একটি বাস্তব শিক্ষা পাওয়া যায়। তিনি লোকদের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করতেন এবং যখনই নিচের দিকে ঝুঁকতেন বা মাথা উপরে তুলতেন, তখন তাকবীর বলতেন। নামাজ শেষ করে তিনি বলতেন, তোমাদের মধ্যে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামাজের সাথে আমি অধিক সামঞ্জস্য রক্ষা করি। এতে বোঝা যায়, সাহাবিরা নামাজ শুধু পড়তেন না; তারা নবীজির নামাজ মানুষকে শেখাতেনও। নামাজে তাকবীরের হাদিস খুঁজলে এই বর্ণনা খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে আমল ও শিক্ষাদান—দুটিই একসাথে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজে নিচু হওয়া ও মাথা তোলার সময় তাকবীর বলার আমল সাহাবিদের মধ্যেও ছিল।
- আবূ হুরায়রা রাঃ নবীজির নামাজের সাথে মিল রেখে নামাজ শেখাতেন।
- নামাজ শেখানোর ক্ষেত্রে বাস্তবভাবে দেখিয়ে দেওয়া একটি কার্যকর পদ্ধতি।
- নবীজির নামাজের সাথে সামঞ্জস্য রাখা সাহাবিদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
