৫০/৫. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৯৮ - লোহা পুড়িয়ে চিকিৎসার ঘটনা
রোগীর চিকিৎসা সম্বন্ধে
লোহা পুড়িয়ে চিকিৎসা: সা‘দ ইব্নু যুরারা (রা)-এর ঘটনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৬৯৮
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৬৯৮
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ سَعْدَ بْنَ زُرَارَةَ اكْتَوَى فِي زَمَانِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الذُّبْحَةِ فَمَاتَ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর যুগে সা‘দ ইব্নু যুরারা (রাঃ) গলার ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা হিসাবে লোহা পুড়িয়ে লাগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তিনি মারা যান।
(হাসান, ইবনু মাজাহ ৩৪৯২. আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে ইবনু মাজাহ] আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে যে, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সা‘দ ইব্নু যুরারা (রা) গলার ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। চিকিৎসা হিসেবে তিনি লোহা পুড়িয়ে লাগান, কিন্তু এরপর তিনি মারা যান। এখানে কোনো বড় ফিকহি সিদ্ধান্ত টেনে আনা ঠিক হবে না, কারণ বর্ণনাটি একটি ঘটনার সংবাদ। তবে এতটুকু বোঝা যায় যে, সে সময়ে কিছু রোগে লোহা পুড়িয়ে দাগ লাগানো চিকিৎসার একটি পরিচিত পদ্ধতি ছিল। একই সঙ্গে এই ঘটনাটি আমাদের মনে করায়, চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়, কিন্তু চূড়ান্ত ফল আল্লাহর হাতে। কোনো চিকিৎসা গ্রহণ করলেই সুস্থতা নিশ্চিত—এমন কথা বলা যায় না। মুমিন চিকিৎসা নেয়, দোয়া করে এবং আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর নিজেকে সঁপে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়, তবে ফল আল্লাহর হাতে।
- আগের যুগে কিছু রোগে লোহা পুড়িয়ে চিকিৎসা করা হতো।
- কোনো চিকিৎসাকে নিশ্চিত সুস্থতার কারণ ভাবা ঠিক নয়।
- রোগ ও মৃত্যু সম্পর্কে বিনয়ী মনোভাব রাখা দরকার।
