৫০/৫. অধ্যায়ঃ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৯৯ - লকওয়া ও বিচ্ছুর দংশনে চিকিৎসা

রোগীর চিকিৎসা সম্বন্ধে

লকওয়া ও বিচ্ছুর দংশন: দাগ দেওয়া চিকিৎসা ও রুকইয়ার বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৬৯৯

و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ اكْتَوَى مِنْ اللَّقْوَةِ وَرُقِيَ مِنْ الْعَقْرَبِ

নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমর (রাঃ) লকওয়া-এর জন্য লোহা পুড়িয়ে দাগ লাগিয়েছিলেন এবং বিচ্ছুর (দংশনের) জন্য ঝাড়ফুঁক করেছিলেন।

(হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) লকওয়া এক ধরনের জটিল রোগ, যা সাধারণত মুখমণ্ডল আক্রমণ করে। ফলে মুখমণ্ডল বাঁকা হয়ে যায়। সাধারণত ইহা প্যারালাইসিস রোগের মতো হয়, বরং প্যারালাইসিসের সঙ্গে এই রোগও আক্রমণ করে। তখন রোগ ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৬৯৯-এর সারসংক্ষেপ

এই বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইব্নু উমার (রা)-এর দুটি কাজ উল্লেখ হয়েছে। তিনি লকওয়া রোগের জন্য লোহা পুড়িয়ে দাগ লাগিয়েছিলেন এবং বিচ্ছুর দংশনের জন্য ঝাড়ফুঁক করেছিলেন। অনুবাদে লকওয়াকে মুখমণ্ডল আক্রমণকারী জটিল রোগ হিসেবে বোঝানো হয়েছে, যাতে মুখ বাঁকা হয়ে যেতে পারে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, অসুস্থতা বা আঘাতের ক্ষেত্রে মানুষ বৈধ চিকিৎসা ও দোয়ার পথ গ্রহণ করতে পারে। দাগ দিয়ে চিকিৎসা সে সময়ের একটি পরিচিত চিকিৎসা পদ্ধতি ছিল, আর বিচ্ছুর দংশনে রুকইয়ার কথাও এসেছে। তবে এই বর্ণনা থেকে নিজের ইচ্ছায় বিপজ্জনক চিকিৎসা করার অনুমতি বোঝা উচিত নয়; অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি। মুমিন রোগে বাস্তব চিকিৎসা নেয় এবং আল্লাহর সাহায্য কামনা করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রোগে চিকিৎসা ও দোয়া—দুটিই গ্রহণ করা যায়।
  • বিচ্ছুর দংশনের মতো কষ্টে রুকইয়ার বর্ণনা পাওয়া যায়।
  • চিকিৎসা পদ্ধতি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার মূল্য আছে।
  • রোগে আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার পাশাপাশি বাস্তব ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন