৫৪/১৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৭৫ - দাসদাসীর খাদ্য, পোশাক ও সামর্থ্য
দাসদাসীর সহিত নম্র ব্যবহার প্রসঙ্গ
দাসদাসীর অধিকার: খাদ্য, পোশাক ও কাজের সীমা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৭৭৫
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৭৭৫
حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلْمَمْلُوكِ طَعَامُهُ وَكِسْوَتُهُ بِالْمَعْرُوفِ وَلَا يُكَلَّفُ مِنْ الْعَمَلِ إِلَّا مَا يُطِيقُ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেন, দাসদাসীকে ঠিকমত খাদ্য ও পোশাক দিতে হবে। তা দ্বারা এমন কোন কাজ নেয়া যাবে না, যা ক্ষমতাবহির্ভূত (অর্থাৎ তার সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ সে করবে, সাধ্যাতীত কাজ দেয়া বৈধ নয়)।
(সহীহ, মুসলিম ১৬৬২)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৭৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাসদাসীর অধিকার সম্পর্কে বলেছেন। তাদেরকে ঠিকমতো খাদ্য ও পোশাক দিতে হবে। একই সঙ্গে তাদের ওপর এমন কাজ চাপানো যাবে না, যা তাদের সামর্থ্যের বাইরে। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো অধীনস্থ মানুষের সঙ্গে ন্যায় ও দয়া করা। যে ব্যক্তি অন্যের কাজ নেয়, সে যেন তার প্রয়োজন, শক্তি ও কষ্টের কথা বুঝে। এখানে খাদ্য, পোশাক ও কাজের সীমা—এই তিনটি বিষয় সরাসরি এসেছে। তাই এই হাদিস শুধু দাসদাসীর ইতিহাসের কথা নয়; এতে মানুষের ওপর কাজ চাপানোর ক্ষেত্রে ইনসাফের শিক্ষা রয়েছে। তবে ব্যাখ্যায় হাদিসের বাইরে নতুন সামাজিক দাবি যোগ করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অধীনস্থ মানুষের খাবার ও পোশাকের দায়িত্ব মালিকের ওপর থাকে।
- সামর্থ্যের বাইরে কাজ চাপানো নিষেধ করা হয়েছে।
- কাজ নেওয়ার সময় মানুষের শক্তি ও কষ্ট বুঝতে হয়।
- দয়া ও ন্যায্যতা ইসলামী আচরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
