৫৪/১৬. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৭৬ - গোলামের কাজের বোঝা কমানো
দাসদাসীর সহিত নম্র ব্যবহার প্রসঙ্গ
অধীনস্থ মানুষের কাজের বোঝা কমানোর শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৭৭৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৭৭৬
و حَدَّثَنِي مَالِك أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ كَانَ يَذْهَبُ إِلَى الْعَوَالِي كُلَّ يَوْمِ سَبْتٍ فَإِذَا وَجَدَ عَبْدًا فِي عَمَلٍ لَا يُطِيقُهُ وَضَعَ عَنْهُ مِنْهُ
মালিক (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উমর ইব্নু খাত্তাব (রাঃ) প্রতি শনিবারে মদীনার পার্শ্ববর্তী গ্রামসমূহে গমন করতেন (এবং বিভিন্ন অভাব-অভিযোগ ইত্যাদি অনুসন্ধান করতেন)। যদি কোন গোলামকে এমন কাজ করতে দেখতেন যা তার শক্তির বাইরে হত, তবে তিনি উহা কম করে দিতেন (অর্থাৎ কাজ কমিয়ে গোলামের বোঝা হালকা করে দিতেন)।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- মুয়াত্তা ইমাম মালিক হল মালিক ইবনে আনাস (রহঃ) কর্তৃক সংকলিত হাদীসের একটি সংগ্রহ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৭৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় উমার ইব্নু খাত্তাব রাঃ-এর একটি দয়ার কাজ এসেছে। তিনি প্রতি শনিবারে মদীনার পাশের গ্রামগুলোতে যেতেন এবং মানুষের অবস্থা দেখতেন। যদি কোনো গোলামকে এমন কাজ করতে দেখতেন, যা তার শক্তির বাইরে, তিনি সেই কাজ কমিয়ে দিতেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, দায়িত্বশীল মানুষ শুধু আদেশ দেয় না; সে অধীনস্থদের কষ্টও দেখে। কাজ নেওয়ার সময় মানুষের শক্তি, সীমা ও অবস্থা বুঝতে হয়। এই বর্ণনা সরাসরি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বাণী নয়, বরং উমার রাঃ-এর আমল হিসেবে এসেছে। তাই এটিকে সেই সীমার মধ্যে বুঝতে হবে। তবু এতে ন্যায়, তদারকি ও দয়ার স্পষ্ট শিক্ষা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অধীনস্থ মানুষের কাজ তার শক্তির মধ্যে রাখা উচিত।
- দায়িত্বশীল ব্যক্তি মানুষের অভাব-অভিযোগ খোঁজ নেবে।
- অতিরিক্ত কাজের বোঝা দেখলে তা কমানো দয়ার কাজ।
- উমার রাঃ-এর আমলে মানুষের কষ্ট লাঘবের শিক্ষা দেখা যায়।
