৩/৭. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৮১ - ফজরের নামাজে কিরাআত ও সূরা পাঠ
ফজরের কিরা‘আত
ফজরের নামাজে কিরাআত: ফাতিহা ও সূরা পাঠের শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৮১
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৮১
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ كَانَ يَقْرَأُ فِي الصُّبْحِ فِي السَّفَرِ بِالْعَشْرِ السُّوَرِ الْأُوَلِ مِنْ الْمُفَصَّلِ فِي كُلِّ رَكْعَةٍ بِأُمِّ الْقُرْآنِ وَسُورَةٍ.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) ফজরের নামাযে مُفَصَّلِ -এর প্রথম দশটি সূরা হতে পাঠ করতেন; প্রতি রাক’আতে ‘উম্মুল কোরআন’ (ফাতিহা) এবং একটি সূরা।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর একটি আমল বর্ণিত হয়েছে। তিনি সফরে ফজরের নামাজে মুফাসসাল অংশের প্রথম দশটি সূরা থেকে পাঠ করতেন। প্রতি রাকআতে তিনি উম্মুল কুরআন, অর্থাৎ সূরা ফাতিহা, এবং এর সঙ্গে একটি সূরা পড়তেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, নামাজে কিরাআত মনোযোগের সঙ্গে হওয়া উচিত। ফজরের নামাজে কুরআন পাঠের গুরুত্বও এখানে বোঝা যায়। হাদিসটি কোনো দীর্ঘ আলোচনা করছে না; বরং একটি সাহাবির বাস্তব আমল তুলে ধরেছে। তাই এ থেকে আমরা বুঝি, নামাজে সূরা ফাতিহা ও কুরআনের অংশ পাঠ করা নামাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিশেষ করে সফরের অবস্থায়ও তিনি কিরাআতকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের নামাজে সূরা ফাতিহা ও কুরআনের সূরা পাঠের আমল দেখা যায়।
- সফর অবস্থাতেও নামাজের কিরাআতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
- প্রতি রাকআতে ফাতিহা পাঠের বিষয়টি এখানে স্পষ্টভাবে এসেছে।
- সাহাবিদের আমল থেকে নামাজের আদব শেখা যায়।
