৩/৯. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৮৬ - ইমামের পেছনে নীরব কিরাআত
নীরবে যে নামাযে কিরা‘আত পড়া হয় সেই নামাযে ইমামের পিছনে কুরআন পড়া
ইমাম সরবে না পড়লে মুকতাদির কিরাআতের আমল
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ১৮৬
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ১৮৬
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ وَعَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ كَانَ يَقْرَأُ خَلْفَ الْإِمَامِ فِيمَا لَا يَجْهَرُ فِيهِ الْإِمَامُ بِالْقِرَاءَةِ.
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
নামাজে ইমাম কিরা‘আত সরবে পড়তেন না সেসব নামাজে ইমামের পিছনে কিরা‘আত পাঠ করতেন।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ১৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র)-এর আমল বর্ণিত হয়েছে। তিনি এমন নামাজে ইমামের পেছনে কিরাআত পাঠ করতেন, যেখানে ইমাম সরবে কিরাআত পড়তেন না। অর্থাৎ এখানে আলোচনার মূল বিষয় নীরব নামাজে মুকতাদির কিরাআত। এই হাদিস থেকে সরাসরি যে কথা পাওয়া যায় তা হলো, ইমাম যখন উচ্চস্বরে কিরাআত করেন না, তখন তাঁর পেছনে থাকা ব্যক্তি কিরাআত পাঠ করতেন—এমন একটি আমল ছিল। এতে নামাজের শৃঙ্খলা ও কিরাআতের আদব বোঝা যায়। হাদিসটি কোনো লম্বা ব্যাখ্যা দেয় না; শুধু আমলটি উল্লেখ করে। তাই এর শিক্ষা নিতে হলে বর্ণনার সীমা বজায় রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমাম সরবে না পড়লে কিরাআত পাঠের আমল বর্ণিত হয়েছে।
- মুকতাদির কিরাআত নিয়ে হাদিসে নির্দিষ্ট অবস্থা উল্লেখ করা হয়েছে।
- নামাজের ধরন বুঝে কিরাআতের আলোচনা করা উচিত।
- বর্ণিত আমলকে তার নিজ সীমার মধ্যে বুঝতে হয়।
