৫/২. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২২৭ - খুতবার সময় কথা বলা নিষেধ
জুম‘আ দিবসে ইমামের খুতবা পাঠ করার সময় চুপ থাকার বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে
খুতবার সময় কথা নয়: ইবনু উমার (রা.)-এর সতর্ক শিক্ষা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২২৭
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২২৭
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ رَأَى رَجُلَيْنِ يَتَحَدَّثَانِ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَحَصَبَهُمَا أَنْ اصْمُتَا.
নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) দুই ব্যক্তিকে আলাপরত দেখলেন, তখন জুমার দিন এবং ইমাম খুতবা প্রদান করতেছিলেন। এটা দেখে তিনি দুজনের দিকে কাঁকর নিক্ষেপ করলেন, এই মর্মে তোমরা চুপ হয়ে যাও।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় জুমার খুতবার সময় কথা বলার বিষয়ে সাহাবীদের সতর্কতা দেখা যায়। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা.) দেখলেন, জুমার দিন ইমাম খুতবা দিচ্ছেন, আর দুই ব্যক্তি কথা বলছেন। তিনি তাঁদের দিকে কাঁকর নিক্ষেপ করে চুপ হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন। এখানে তিনি কথা বলে বাধা দেননি; বরং ইশারার মাধ্যমে তাঁদের থামাতে চেয়েছেন। কারণ খুতবার সময় নিজেও কথা না বলা জরুরি। এই বর্ণনা জুমার খুতবা শোনার আদবকে আরও পরিষ্কার করে। মুসল্লিদের জন্য শিক্ষা হলো, ইমাম যখন খুতবা দেন, তখন আলাপ, মন্তব্য, ফিসফিস—এসব থেকে দূরে থাকা উচিত। খুতবার সময় নীরবতা শুধু বাহ্যিক নিয়ম নয়; এটি মনোযোগ, সম্মান এবং জুমার পরিবেশ রক্ষার অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমাম খুতবা দিলে পরস্পর আলাপ করা উচিত নয়।
- অন্যকে সতর্ক করতেও খুতবার সময় কথা না বলার দিকটি খেয়াল রাখা দরকার।
- সাহাবীরা জুমার খুতবার নীরবতাকে গুরুত্ব দিতেন।
- খুতবার সময় মনোযোগ নষ্ট করে এমন আচরণ এড়িয়ে চলা উচিত।
