৭/৩. অধ্যায়ঃ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৬২ - ঘুমের আগে ও শেষ রাতে বিতর
বিতর (নামায)-এর নির্দেশ
বিতর নামাযের সময়: ঘুমের আগে নাকি শেষ রাতে?
মুয়াত্তা ইমাম মালিক : ২৬২
মুয়াত্তা ইমাম মালিকহাদিস নম্বর ২৬২
و حَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ قَالَ كَانَ أَبُو بَكْرٍ الصِّدِّيقُ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَأْتِيَ فِرَاشَهُ أَوْتَرَ وَكَانَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يُوتِرُ آخِرَ اللَّيْلِ قَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ فَأَمَّا أَنَا فَإِذَا جِئْتُ فِرَاشِي أَوْتَرْتُ.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) শয্যা গ্রহণের ইচ্ছা করলে বিতর আদায় করে নিতেন। আর উমর (রাঃ) শেষ রাত্রে বিতর আদায় করতেন। সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) বলেন, (আমার অভ্যাস হল এই) আমি যখন শয্যা গ্রহণ করতে আসি তখন বিতর আদায় করে নেই।
(হাদীসটি ইমাম মালিক (রহঃ) একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক হাদিস ২৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় বিতর নামাযের সময় নিয়ে সাহাবিদের আমল দেখা যায়। আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) শয্যায় যাওয়ার আগে বিতর আদায় করতেন। অন্যদিকে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) শেষ রাতে বিতর আদায় করতেন। সাঈদ ইবনু মুসায়্যাবও বলেন, তিনি ঘুমাতে গেলে আগে বিতর পড়ে নিতেন। হাদিসটি দেখায় যে, বিতর নামাযের সময় মানুষের অবস্থা অনুযায়ী হতে পারে। কেউ যদি শেষ রাতে উঠতে না পারে বলে আশঙ্কা করে, সে ঘুমের আগে বিতর আদায় করতে পারে। আর যার শেষ রাতে উঠার অভ্যাস আছে, সে পরে আদায় করতে পারে। এখানে বিতরের সময়, ঘুমের আগে বিতর এবং শেষ রাতের বিতর—এই বিষয়গুলো খুব সহজভাবে উঠে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুমের আগে বিতর আদায় করা সাহাবিদের আমলে দেখা যায়।
- শেষ রাতে বিতর আদায় করাও সাহাবিদের আমলের মধ্যে ছিল।
- নিজের ঘুম ও জাগার অভ্যাস বুঝে বিতরের সময় ঠিক করা যায়।
- ইবাদতে নিয়মিত থাকা সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে বোঝা যায়।
